ব্যাটেল অব মাইন্ডস নিয়ে যত ভাবনা
১৪ নভেম্বর, ২০১৬ ইং
ব্যাটেল অব মাইন্ডস নিয়ে যত ভাবনা
ব্যাটেল অব মাইন্ডস নিয়ে উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। পিছিয়ে নেই তাদের শিক্ষকরাও। অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ব্যাটেল অব মাইন্ডস এখন মর্যাদার লড়াই। এই লড়াইয়ের শেষ দেখতে চূড়ান্ত আয়োজনে শামিল হয়েছিলেন শহরের মেয়র, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আইনজীবী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

সফল ব্যবসায়ী, জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক ছিলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। মঞ্চ কাঁপিয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করছে সেরা পাঁচটি দল। তারুণ্যের আশা জাগানিয়া বক্তা  আনিসুল হক মঞ্চে উঠেই অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অভিহিত করেন ‘স্ফূলিঙ্গ’ হিসেবে। তিনি বলেন, ‘আফসোস তোমাদের এই সময়ে আমি জন্মাইনি। আমাদের সময় স্বপ্ন দেখানোর জন্য এত বড় বড় আয়োজন ছিল না, প্রযুক্তিগত সুবিধাও ছিল না। তোমারা সে সুযোগ পেয়েছ। তোমাদের উপস্থাপনা দেখে আমার মনে হয়েছে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে তোমরা বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারবে।’

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা এই আয়োজন নিয়ে সন্দেহের তীর ছুড়েছে তামাক বিরোধী জোটগুলো। চূড়ান্ত পর্বে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জুনাইদ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অভিনবত্বের অনন্য উদাহরণ ব্যাটেল অব মাইন্ডস। এটা চাকরি জগতে প্রবেশের আগেই শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসের ভিত তৈরি করতে এই ধরনের উদ্যোগের জুড়ি নেই। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কোনো ধারার সঙ্গেই সাংঘর্ষিক নয়। এখানে বিএটি বাংলাদেশ তাদের পণ্যের কোনো বিজ্ঞাপন বা বিপণন করে না, এমনকি প্রতিষ্ঠানটির কোনো লোগো বা সাইন এখানে ব্যবহূত হয় না। তামাক দ্রব্যাদি সম্পর্কে কোনো ধরনের উত্সাহ প্রদান করা হয় না। সুতরাং এটি সুধীসমাজে মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্পূর্ণরূপে বৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া।’

নিয়োগ প্রক্রিয়ার এই আয়োজন নিয়ে বিএটি বাংলাদেশের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান রুমানা রহমান বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আর কর্পোরেট জগতের মধ্যে যে দূরত্ব বা ভিন্নতা থাকে তার সেতুবন্ধন ব্যাটেল অব মাইন্ডস। কাজের জগতে যাত্রা শুরু করার আগেই ব্যাটেল অব মাইন্ডসে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যায়। শুধু তাই নয়, যেহেতু বাস্তব প্রেক্ষাপটে আমাদের এই আয়োজন থাকে তাই শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, দলগতভাবে কাজ করার ক্ষমতা সর্বোপরি নেতৃত্ব প্রদানে তাদের সক্ষমতাও বেরিয়ে আসে।’ ব্যাটেল অব মাইন্ডস ২০১৫-এর বিজয়ী জিদনী রুবাইয়াত্ সোম্য এখন বিএটি বাংলাদেশের কর্মকর্তা। বাস্তব চাকরি জগতে ব্যাটেল অব মাইন্ডসের জ্ঞান কতটা কাজে লেগেছে জানতে চাইলে সোম্য জানায়, ‘ব্যাটেল অব মাইন্ডসে অংশগ্রহণ করার কারণেই আমি আগে কর্পোরেট জগত্ সম্পর্কে ধারণা পেয়েছিলাম, যা আমার কাজের জগতকে সহজ করেছে। বাস্তবিক চাকরিজীবনে যুক্ত  হয়ে আমার উপলব্ধি আসলেই ব্যাটেল অব মাইন্ডস প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও কর্মজগতের সেতুবন্ধন।’

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন