আরিফ খান জয়, উপমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, সংসদ সদস্য, নেত্রকোণা-২
অনলাইনে ক্রীড়া ও রাজনীতি দুটোই সমান তালে
ইশরাত বিনতে আফতাব১৪ নভেম্বর, ২০১৬ ইং
অনলাইনে ক্রীড়া ও রাজনীতি দুটোই সমান তালে
ভোটের হিসেবে রাজনীতিবিদের তকমা লাগতে পারে অনেকের গায়েই, কিন্তু প্রকৃত রাজনীতিবিদ হতে পারেন খুব কম মানুষই। সেই অল্প কজন বিরল মানুষের খাতায় নাম লিখিয়েছেন উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়। নেত্রকোণা জেলার সদর ও বারহাট্টা উপজেলা নিয়ে গঠিত ১৫৮ নেত্রকোনা-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্তৃক মনোনীত নির্বাচিত সংসদ সদস্য আরিফ খান জয় ১৯৭৪ সালের ১৫ জুন নেত্রকোনা জেলার নিউটাউনে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব আবদুস সাত্তার খান পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। মাতা মরহুমা তমজিদা খানম একজন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত (মরণোত্তর) শ্রেষ্ঠ নারী সংগঠক। আরিফ খান জয় নেত্রকোনা জেলার চন্দ্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি, নেত্রকোণা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হতে এইচএসসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমএ পাস করেন।

গুরুগম্ভীর এই মানুষটি কিন্তু মূলত একজন জাতীয় ফুটবলার। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক। বাংলাদেশ ফুটবল দলের হয়ে তিনি দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান, নেপাল, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, তুর্কেমিনিস্থান, কাজাকিস্থান, তাজিকিস্থান, উজবেকিস্থান, ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ প্রায় ৪০/৪৫টি দেশ ভ্রমণ করেছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই আরিফ খান সম্পৃক্ত ছিলেন রাজনীতিতে। তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। শুধু রাজনীতিবিদের মুকুটটাই পড়েননি, সেই মুকুটের মর্যাদা রেখেছেন প্রতি পদে পদে। প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের এক মূর্তিমান উদাহরণ তিনি। মাঠে যেমন সক্রিয় তেমনটাই সক্রিয় ভার্চুয়াল জগতে। ফেসবুকের একজন নিয়মিত ব্যবহারকারী আরিফ খান। তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে সার্বক্ষণিক আপডেটেড রাখেন তিনি।

গত ৬ নভেম্বর জাতীয় যুবদিবস ২০১৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ছবি আপলোড করেন তিনি। ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে সংবর্ধনা জানাতে বিমানবন্দরে যান তিনি গত ৩০ মে। সেই ছবিও আপলোড করেন ফেসবুকে। ফেসবুকে তার সারাদিনের মোটামুটি সকল কার্যক্রমই ফ্রেন্ডদের সঙ্গে শেয়ার করেন। গত ১২ মে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম সৌজন্য সাক্ষাত করেন আরিফ খানের সঙ্গে। ফেসবুকে সেদিনের ছবিও আপলোড করেন অনুষ্ঠানের বর্ণনা দিয়ে। এছাড়া বিশেষ দিনেও তিনি ফেসবুকে পোস্ট করেন নিয়মিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বামী বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি পোস্ট দেন ৯ মে। জেল দিবসেও দিয়েছেন ফেসবুকে পোস্ট। ফেসবুকে তার অ্যাকাউন্ট ও পেজ দুটোই আছে। পেজে তাকে প্রায় ৬০০০-এর অধিক মানুষ ফলো করে।

বাংলাদেশের এখন প্রযুক্তিকে সঙ্গী করে দুর্নিবার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই এগিয়ে যাওয়ার পথের নায়ক হবেন আজকের রাজনীতিবিদরা। জনগণের সঙ্গে যতটা সম্পৃক্ত হতে পারবেন নিজের সাফল্য ততটাই বেশি। এই ক্ষেত্রে আরিফ খান নিজেকে শতভাগ সফল প্রমাণ করেছেন। এই প্রজন্ম তার সকল কর্মকাণ্ড দেখছে, তাকে আদর্শ মনে করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন