শখ থেকেই সফল উদ্যোগ
১৪ নভেম্বর, ২০১৬ ইং
শখ থেকেই সফল উদ্যোগ
শখের বসে কিংবা ব্যায় মেটানো, পাড়াশুনার পাশাপাশি কিছু কাজ করে থাকেন অনেকেই। তেমনি ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশুনার সময়ই পাঁচ বন্ধু মিলে ২০০৯ সালে তৈরি করে ‘ডি ফাইভ’ নামের একটি ফ্যাশন হাউজ। মূলত দেশের ফ্যাশন ডিজাইন সেক্টরে নতুন ধারা সৃষ্টিই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। নানা তবে প্রতিকূলতার কারণে ৫ জনের মধ্যে ৪ জনকেই ছেড়ে যেতে হয় ‘ডি ফাইভ’ প্রতিষ্ঠানটি। সেখান থেকেই শুধুমাত্র আর আই হাসান হাল ধরেন প্রতিষ্ঠানটির। কাজ করার আগ্রহ আর ফ্যাশন ডিজাইন সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যেই কাজ করছেন তিনি। স্বল্প বিনিয়োগের মাধ্যমে কাজ শুরু করে বর্তমানে তিনি ‘ডি ফাইভ’ নামের প্রতিষ্ঠানকে বেশ সফলতার সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসান বলেন, ‘শুরুতে কাজের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও লক্ষ্যচ্যুত না হয়ে কাজ করে এই পর্যন্ত আসতে পেরেছি, লক্ষ্য অনেক দূর যাওয়ার’। অনলাইনের মাধ্যমেও তৈরি পণ্য বিক্রি করে যাচ্ছেন তিনি। দেশে ফ্যাশন ডিজাইনের পরিধি যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রতিযোগিতাও বাড়ছে। আর তাই এই পেশায় আসতে হলে সঠিক প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি। অনেকে প্রচুর মূলধন নিয়ে ফ্যাশন ডিজাইন ব্যবসায় নেমে পড়ে। কিন্তু সঠিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অভাবে টিকে থাকতে পারে না, আর তাই অভিজ্ঞতা নিয়ে এই পেশায় আসা জরুরি। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই এসব কথা বলেন এ ডিজাইনার। ফ্যাশন ডিজাইনে ভালো অবস্থান তৈরি করার পর দেড় বছর আগে ২০১৫ সালে তৈরি করেন থাই, চাইনিজ এবং দক্ষিণ ভারতীয় খাবারের রেস্তোরাঁ, নাম দেন ‘মেহেরজান ডাইনিং’। ফ্যাশন ডিজাইনে পড়াশুনা করে নিজের রেস্টুরেন্টকেও সাজিয়েছেন ভিন্ন ডিজাইনে। তবে প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে নিজের প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতেই সাজসজ্জায় বেশ জোর দিয়েছেন। দুটি পেশাকেই সমান তালে চালিয়ে নিচ্ছেন বলে জানান ফ্যাশন ডিজাইনার আর আই হাসান। ফ্যাশন ডিজাইন ও রেস্টুরেন্ট দুটি ক্ষেত্রেই অভিজ্ঞতা থাকায় এই দুটি বিষয় নিয়েই তৈরি করছেন ‘ফুড এন্ড ফ্যাশন ম্যাগাজিন’ বিষয়ক পত্রিকা। মূলত এই দুটি বিষয়ে ধারনা দেয়ার উদ্দেশ্যেই তৈরি করছেন ম্যাগাজিনটি। আর সবশেষে জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলেন ‘সবকিছুর আগে নিজের লক্ষ্য ঠিক রেখেই কাজে নামতে হবে যতোক্ষন না লক্ষ্য অর্জন হয়’। 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন