এক বছরেও মাওলানা ফারুকী হত্যার কিনারা হয়নি
তদন্ত করবে সিআইডি
জামিউল আহসান সিপু২৭ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
এক বছরেও মাওলানা নূরুল ইসলাম ফারুকী হত্যাকাণ্ডের কোন কূল-কিনারা করতে পারেনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরই মধ্যে এই মামলার তদন্তভার সিআইডিতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। খুনী গ্রেফতার না হওয়ায় নিহত ফারুকীর পরিবার ও ভক্তদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গত বছরের ২৭ আগস্ট পূর্ব রাজাবাজারের ১৭৪ নম্বর বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হন মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ফয়সাল ফারুকী শেরেবাংলা নগর থানায় ডাকাতি ও হত্যা মামলা করেন। এছাড়া জামায়াত নেতা তারেক মনোয়ারসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলা করেন ইসলামী ছাত্রসেনার ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।

তুষার অভিযোগ করেন, ফারুকীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ডিবি এ হত্যা মামলায় মাওলানা মুজাফফরসহ ৩ জনকে শ্যোন এরেস্ট করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোন তথ্য বের করা সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে মাওলানা মুজাফফর জামিনে বের হয়েছেন। বাকী দুজন এখনো জেলে রয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও খুনীরা অধরা থেকে গেছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পশ্চিম বিভাগ এই মামলাটি তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে ডিবির উপ-কমিশনার (পশ্চিম) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মামলার তদন্তভার সিআইডিতে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। যদিও খুনের ঘটনার পর ঘটনাটি সিআইডি ছায়া তদন্ত করছে।

ওই কর্মকর্তা আরো জানান, এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কোন জঙ্গি গোষ্ঠির সম্পৃক্তা আছে কিনা তা যাচাই করতে ডিবির হাতে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিদেরও নানাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু কোন ধরনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া খোরশেদ আলম রুবেল আনসার উল্লাহ বাংলাটিমের সদস্য। এছাড়া মোজাফফর বিন মহসীন ও মিন্টু প্রধান নামে আরো দুজনকেও এ মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়েছে। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহত ফারুকীর মেঝো ছেলে আহমদ রেজা ফারুকী অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক, ব্যবসায়িক কিংবা ডাকাতির ঘটনায় তার বাবা খুন হননি।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন