মানুষের এখন কথা বলার অধিকার নেই----------------এরশাদ
ইত্তেফাক রিপোর্ট২৭ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত এইচএম এরশাদ বলেছেন, দেশের মানুষ এখন অধিকার-হারা। তাদের ভোটাধিকার নেই। কথা বলার ও বাঁচার অধিকারও নেই। সরকার গণমাধ্যমের লেখার অধিকারও নিয়ন্ত্রণ করছে। গণমাধ্যম এখন কথা বলতে পারে না। সরকার যা চাইবে, তা-ই তাদের বলতে হবে। কিন্তু জাপার শাসনামলে এমনটি ছিল না। গতকাল বুধবার রাজধানীর বনানীতে তিনি তার কার্যালয়ে বরগুনা জেলা জাপার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

এরশাদ বলেন, গণতন্ত্র হলো ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার, লেখার অধিকার, বাঁচার অধিকার। আমরা লেখার অধিকার হারিয়ে ফেলেছি। খবরের কাগজকে বলা হচ্ছে-এটা লেখা যাবে না। এ ধরনের গণতন্ত্র মানুষ চায় না, মানুষ প্রকৃত গণতন্ত্র চায়। তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় থাকতে এটা করিনি। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতাম, বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করতাম। জাপা ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে সাংবাদিকরা আবার লিখতে পারবেন, মানুষ কথা বলতে পারবে।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, জনগণ আবার জাপাকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। যেখানে যাই, একটা কথা শুনি-আপনি আবার ক্ষমতায় আসেন। এজন্য নেতা-কর্মীদের সংগঠন শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য এখন আগামী নির্বাচন। তবে নির্বাচন কবে হবে জানি না। হয়তো ২০১৯ সালে।

সভায় হট্টগোল

মতবিনিময় সভায় এরশাদের উপস্থিতিতে হট্টগোল করেছেন বরগুনা জেলা জাপার নেতারা। সভায় বরগুনা জেলা  জাপার শাহজাহান তার বক্তব্যে বলেন, ‘দলের জন্য আমরা নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময় অর্থ দিয়ে আসছি। ২০০১ সাল থেকে পার্টিকে ধরে রাখার চেষ্টা করছি।’ তার এই বক্তব্যের প্রতিবাদে জেলা জাপা নেতা মকবুল হোসেনসহ অন্যরা ‘মিথ্যা কথা’ বলে উল্লেখ করে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। এতে হট্টগোল শুরু হলে শাহজাহানকে বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত রাখা হয়। পরে জাফরুল হাসান ফরহাদকে আহ্বায়ক করে জেলা কমিটি ঘোষণা করেন এরশাদ।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন