খালেদা জিয়াসহ ১১ আসামিকে ২৪ জুলাই হাজিরার নির্দেশ
কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা
কোর্ট রিপোর্টার১৩ জুন, ২০১৬ ইং
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ১১ আসামিকে ২৪ জুলাই আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল রবিবার ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ হোসনে আরা বেগম এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ওইদিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য রাখা হয়েছে। এ মামলায় বর্তমানে খালেদা জিয়াসহ ১১ জন আসামি। এদের মধ্যে খালেদাসহ ৮ জন আদালতে সময়ের আবেদন জানান।

খালেদা ছাড়া অন্য ৭ আসামি হলেন- ব্যারিস্টার আমিনুল হক, একেএম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এস আর ওসমানী, সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও খনির কাজ পাওয়া কোম্পানির স্থানীয় এজেন্ট হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন।

অন্য আসামি এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও এম কে আনোয়ারের পক্ষে আদালতে কোনো পদক্ষেপ ছিল না।

মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত ১৬ আসামির মধ্যে এম সাইফুর রহমান, আবদুল মান্নান ভুঁইয়া ও এম শামসুল ইসলাম মারা যাওয়ায় এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি হওয়ায় তাদের নাম আসামি তালিকা থেকে বাদ গেছে।

গতকাল আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া। দুদকের পক্ষে ছিলেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল।

২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর খালেদা জিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করা হয়। এরপর কয়েক দফায় স্থগিতাদেশ বাড়ানো হয়।

বেশ কয়েক বছর ধরে স্থগিত থাকার পর মামলাটি সচলের উদ্যোগ নিয়ে রুল নিষ্পত্তির আবেদন জানায় দুদক। পরে গত বছর ১৮ জুন শুনানি শেষে মামলাটি সচল করতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

গত ২০০৮ সালের ৫ অক্টোবর খালেদাসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের ২ নম্বর দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় চার্জশিট দাখিল করে দুদকের উপ-পরিচালক আবুল কাশেম শরিফ।

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম এবং রাষ্ট্রের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতি ও আত্মসাত্ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি করে দুদক।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন