অভিন্ন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াতে হবে------------ হর্ষবর্ধন শ্রিংলা
২৭ জুলাই, ২০১৬ ইং
g বিশেষ প্রতিনিধি

ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারত নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ালে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সমন্বয় দরকার। কারণ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো দুই দেশের উন্নয়ন প্রয়াসের জন্য চ্যালেঞ্জ স্বরূপ। গতকাল মঙ্গলবার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে ‘ভারতের পররাষ্ট্র নীতি, নিরাপত্তা কৌশল এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক’ শীর্ষক এক বক্তৃতায় এ কথা বলেন। ডিফেন্স কলেজের কমান্ডেন্ট লে. জে. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বীর বিক্রম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

ভারতের হাইকমিশনার বক্তৃতায় বলেন, বিদ্যমান অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা খুবই জরুরি। উন্নয়নের জন্য বড় বাধা সন্ত্রাস। আজ এটিই আমাদের অভিন্ন যুদ্ধ। সেজন্যই সন্ত্রাসীদের দমনে আজ তথ্য ও যোগাযোগ বিনিময় জরুরি। বাংলাদেশ আজ কঠোর  হাতে সন্ত্রাস দমন করছে। এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশের অবদানকে সম্মান জানাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতোমধ্যে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেছেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশ একা নয়। ভারতের জনগণ বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।

হর্ষ শ্রিংলা বলেন, সন্ত্রাস ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। নব্বইয়ের দশক থেকে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস মোকাবিলা করে আসছে ভারত। ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলা আমাদের চোখ খুলে দেয়। সন্ত্রাসীদের অবাধ চলাচল ও অস্ত্র সরবরাহ দমন, সন্ত্রাসী অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণ, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সন্ত্রাসী কাজে সামাজিক গণমাধ্যম ও ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করেছে ভারত। বাংলাদেশও আজ এসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। ভারত মনে করে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হলেই ভারতও সমৃদ্ধ হবে। সেজন্যই নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে দুই দেশ বড় অংশীদার।


 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ জুলাই, ২০২১ ইং
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৮
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
পড়ুন