সৈয়দ আকরম হোসেন ও তপন মাহমুদ পেলেন রবীন্দ্র পুরস্কার
g ইত্তেফাক রিপোর্ট০৮ আগষ্ট, ২০১৬ ইং
রবীন্দ্র-গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ আকরম হোসেন এবং রবীন্দ্রসংগীত চর্চায়  বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিল্পী তপন মাহমুদ পেলেন বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার-২০১৬। পুরস্কারপ্রাপ্ত দু’জনের হাতে পুষ্পস্তবক, সম্মাননা স্মারক, সম্মাননাপত্র এবং পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।

গতকাল রবিবার বিকালে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উদ্যাপনের দ্বিতীয় দিনে একক বক্তৃতা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং রবীন্দ্র পুরস্কার-২০১৬ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। রবীন্দ্রবিষয়ক একক বক্তৃতা প্রদান করেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী অধ্যাপক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক, অধ্যাপক বেগম আকতার কামাল, অধ্যাপক বিশ্বজিত্ ঘোষ, অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী প্রমুখ।

সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, রবীন্দ্রনাথ বাঙালি, ভারতীয় ইত্যাদি পরস্পর-সম্পৃক্ত নানা বৃত্তের মধ্যে বাস করেও ছিলেন একজন বিশ্বনাগরিক।

সৈয়দ আকরম হোসেন বলেন, সভ্যতার যান্ত্রিক বিকাশের পাশাপাশি যদি আমরা রবীন্দ্রনাথের চেতনায় হূদয়বৃত্তির অনুশীলন করতে সক্ষম হই তবেই বর্তমান সংকটময় দেশীয় ও বিশ্ব-পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটতে পারে।

তপন মাহমুদ বলেন, আজ সারাদেশে যে সাংস্কৃতিক শূন্যতা বিরাজ করছে তা নিরসন করতে দেশের তরুণ প্রজন্মকে রবীন্দ্র রচনার সান্নিধ্য দান এবং তৃণমূলে সাংস্কৃতিক বিস্তার অত্যন্ত জরুরি বিষয়।   

অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলেন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীয়তাবোধ নির্মাণ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পুরোধা। ষাটের দশকে পাকিস্তানি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ যেমন হয়ে উঠেছিলেন আমাদের সাংস্কৃতিক সত্তার অপরিহার্য অংশ ঠিক তেমনি আজ জঙ্গি-সন্ত্রাস মোকাবিলায় রবীন্দ্রচেতনায় সম্ভব হতে পারে বাঙালিত্বের নবউদ্বোধন।

অধ্যাপক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, রবীন্দ্রনাথ সারাজীবন সত্য ও সুন্দরের সাধনা করে গেছেন। গেয়েছেন মানবমঙ্গলের গান।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র-কবিতার আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী মাহিদুল ইসলাম। সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী ফাহিম হোসেন চৌধুরী এবং অদিতি মহসিন। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ পাল (তবলা), গাজী আবদুল হাকিম (বাঁশি), রূপতনু দাশ শর্ম্মা (কী-বোর্ড) এবং নাজমুল আলম খান (মন্দিরা)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির সহপরিচালক সায়েরা হাবীব।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন