বিশ্ব বন্ধু দিবস পালিত
g ইত্তেফাক রিপোর্ট০৮ আগষ্ট, ২০১৬ ইং
 ‘তুমি আমার পাশে বন্ধু হে’.... ‘দেখা হবে বন্ধু, কারণে আর অকারণে’.... ‘ও বন্ধু তোকে মিস্? করছি ভীষণ, তোকে ছাড়া কিছুই আর জমে না এখন’.... ‘বন্ধু ছাড়া কি জীবন চলে’ এরকম নানা গান, বাণী আর কবিতার ছড়াছড়িতে সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও পালিত হলো বিশ্ব বন্ধু দিবস। আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার পালন করা হয় এ দিনটি।

যুগ পরিবর্তনের সাথে সাথে বন্ধুত্বের ধরনও বহুলাংশে পাল্টেছে। তবে যুগ পাল্টালেও বন্ধুত্বের বন্ধন আদি ও অকৃত্রিম। আর তাই প্রকৃতির চিরন্তন নিয়মেই গড়ে উঠে বন্ধুত্বের সম্পর্ক। বন্ধুত্ব হয় মানুষে-মানুষে, ছেলে-মেয়েতে, ছাত্র-শিক্ষকে, বাবা-মায়ে, পাড়া-প্রতিবেশীতে। জীবন চলার পথে বিভিন্ন স্তরে যেমন- শৈশব, কৈশর, ছাত্রজীবন, কর্মক্ষেত্রে, সংসার ও সমাজ জীবনে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে অনেকের সাথে।

দিবসটি উপলক্ষে অনেকে দিয়েছে জম্পেশ আড্ডা। আর দিবসের রীতি অনুযায়ী পরস্পরকে ফুল কার্ড, হাতের ব্যান্ড প্রভৃতি উপহার দিয়েছে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে। তবে বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ফেসবুক, টুইটারের মত সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। সহজ এবং একসঙ্গে অনেক মানুষকে শুভেচ্ছা জানানো যায় বলে এ মাধ্যমে বেছে নিয়েছে অনেকে। আবার কেউ কেউ মোবাইল ফোনের ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমেও বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। সব মিলিয়ে এ দিনটিকে বিশেষ রূপ দিয়েছেন নানা বয়সী মানুষ।

পৃথিবীর বয়স এবং মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্কের বয়স সমান হলেও দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হচ্ছে খুব বেশি দিন আগে থেকে নয়। জানা যায়, ১৯৩৫ সালে আমেরিকার সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম শনিবার। তার প্রতিবাদে পরের দিন ওই ব্যক্তির এক বন্ধু আত্মহত্যা করেন। এরপরই জীবনের নানা ক্ষেত্রে বন্ধুদের অবদান আর তাদের প্রতি সম্মান জানানোর লক্ষ্যেই আমেরিকান কংগ্রেস ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রবিবারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই থেকে আজো আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধু দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন