মেরিন ইঞ্জিনিয়ার খুনের ঘটনায় বন্ধু রনি তিন দিনের রিমান্ডে
২০ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
ইত্তেফাক রিপোর্ট

সম্ভাব্য তিনটি কারণ সামনে রেখে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল হাসান রিমন হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া এজাহারভুক্ত আসামি রনির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, কৌশলে ডেকে নিয়ে শুক্রাবাদের নির্মাণাধীন ভবনে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় রিমনকে। খুনিরা তার পূর্ব পরিচিত। মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে সাজেদুল করিম রনিসহ রিমনের বন্ধু সম্পর্কিত আরো অনেকে জড়িত থাকতে পারে। এসব তথ্যের পাশাপাশি পুলিশের তদন্তে আরো গুরুত্ব পাচ্ছে, স্ত্রী কানিজ ফাতেমার সঙ্গে রিমনের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে পারিবারিক বিরোধ।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সর্দার বলেন, ফ্ল্যাট নিয়ে রনির সঙ্গে রিমনের বিরোধসহ সম্ভাব্য তিনটি কারণ সামনে রেখে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্তে এরই মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। শিগগিরই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে।

পরিবারের সদস্যরাও মনে করছেন, ফ্ল্যাট সংক্রান্ত ঝামেলার কারণেই রিমন হত্যাকাণ্ডে রনির হাত থাকতে পারে। তবে গ্রেফতার হওয়া রনি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা অস্বীকার করেছে। রিমনের শ্বশুর বাড়ির লোকজনের ধারণা, ‘মাদকাসক্ত’ রিমনের বন্ধু সম্পর্কিত কেউ হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছে।

ঘটনার পর রিমনের বাবা নিউমার্কেট থানায় যে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন, তাতে তিনি ফ্ল্যাট নিয়ে রনির সঙ্গে মামলার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। এখন পর্যন্ত রিমনকে হত্যার নেপথ্যে রনিকেই দায়ী করছেন রিমনের বাবা খলিল উল্লাহ। তবে স্ত্রী কানিজ ফাতেমার সঙ্গে রিমনের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে পারিবারিক বিরোধ নিয়েও তদন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে।

গত রবিবার গভীর রাতে শুক্রবাদের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির নিচতলা থেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম রিমনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২০ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৪
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৭
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পড়ুন