নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলনের সমাবেশে পীর সাহেব চরমোনাইর ১০ দফা
ইত্তেফাক রিপোর্ট০৬ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
নিরপেক্ষ সরকার  ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। প্রহসনের নির্বাচন আর জনগণ হতে দেবে না। সংসদ বহাল রেখে আওয়ামী লীগ ৫ জানুয়ারি মার্কা ভোট করে ক্ষমতায় থাকতে চায়। তাই ভোটের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। ক্ষমতাসীনরা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। কোনো স্থানীয় নির্বাচনকে তারা সুষ্ঠু হতে দেয়নি। তাই এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। কারণ সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হলে তা কখনো সুষ্ঠু হবে না। নির্বাচন হতে হবে সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, সংসদ বাতিলসহ ১০ দফা দাবিতে এ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শুরু হয় জুমার পর। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন— নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী প্রমুখ।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, আওয়ামী লীগ ভোটের অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। এ কারণে তাদের আগামীতে মানুষ উত্খাত করবে। বর্তমান সিইসি একজন রোবট, তাকে যা শিখিয়ে দেয়া হয় তাই করে। এ রোবটকে মানুষ আর দেখতে চায় না। জনগণ নিরপেক্ষ নির্দলীয় ইসি চায়। সংসদে ১৫৪ জন বিনাভোটে জয়ী সদস্য রয়েছে। এ সব অবৈধ এমপি বহাল থাকাবস্থায় নির্বাচন হতে পারে না। সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, ভারত আমাদের কাছে যা চাচ্ছে সবই দিয়ে দেয়া হচ্ছে। দেশকে ভারতের কাছে তারা বিক্রি করতে চায়। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ১০ দফা তুলে ধরেন দলটির আমীর। এ ১০ দফা হলো: তফসিল ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে; সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে; বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে; তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং নির্বাচনের দিন সশস্ত্র বাহিনীর হাতে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে; নির্বাচনে সব দলের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে; দুর্নীতিবাজদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে; নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে; কোটা সংস্কার অন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে গ্রেপ্তার ছাত্রদের মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে; গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৬ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৬
যোহর১১:৪৭
আসর৪:০৩
মাগরিব৫:৪৫
এশা৬:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৫১সূর্যাস্ত - ০৫:৪০
পড়ুন