মাঠের ভেতরেই বিভেদ
মুক্তিযোদ্ধার স্ট্রাইকার এনামুল হক পেশাদার লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েই জাতীয় দলে আবার জায়গা করে নেন। এখনও দেশি স্ট্রাইকারদের মধ্যে ৯ গোল করে এনামুলই শীর্ষে। ডাচ কোল লুডভিক ডি ক্রুইফ এনামুলকে দলে নিয়েছিলেন। সিঙ্গাপুরে বিরুদ্ধে সেরা একাদশে জায়গাও দিলেন। কিন্তু মাঠে নেমে খেলোয়াড়টি তার সতীর্থদের সহযোগিতা পেলেন না। এনামুল কাছে থাকলেও তাকে বল দেয়া হয়নি। যখন বলটা নিশ্চিত মিস হতে যাচ্ছে, কেবল সেসময়ই তাকে বল ঠেলে দেয়া হয়েছে।  জাতীয় দলের খেলায় কাল মাঠের ভেতরে এনামুলের সাথে এমন বৈরী আচরণ করা হয়েছে। এনামুল দৌড়ে গিয়ে বলের অপেক্ষা করলেন। তাকে বল দিলেই সোহেল রানাও গোলের সুযোগটা নিতে পারে। কিন্তু সোহেল রানা তা না করে নিজেই চেষ্টা করলেন, ব্যর্থ হলেন। এমন ঘটনা দুইবার হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে এনামুল বল নিয়ে দুই তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ঢুকেছিলেন। সিঙ্গাপুরের দুই ডিফেন্ডার তাকে ঘিরে ধরলেন। তার পরও বল পায়ে রাখলেন। কেউ একজন এগিয়ে গেলে বলটা নিতে পারতেন। সেটা হয়নি। সিঙ্গাপুরের ডিফেন্ডারদের কাছে হারতে হয়েছে এনামুলকে। এই স্টাইকারকে বল দিয়ে কাজে লাগানো যেতো। কিন্তু তার কাছ থেকে খেলাটা আদায় করে নিতে পারলো না। এমিলিকে স্ট্রাইকিং পজিশনে দিয়ে এনামুলকে রাখা হলো বা দিকে।  উইংয়ে খেলেছেন এনামুল। তার কাজ ছিল এমিলিকে বল গড়ে দেয়া। এমিলি নিজের পজিশনে খাপ খাইয়ে নিতে পারছিলেন না। একবার সেটপিস করেছিলেন ভালো। কিন্তু খেলায় নজর কাড়ার মতো কিছু করতে পারলেন না। ৮৩ মিনিটে এমিলিকে তুলে ওয়াহেদ আহমেদকে নামালেন কোচ। তখন গিয়ে এনামুলকে মূল স্ট্রাইকারের জায়গায় ঠেলে দেয়া হলো। ততক্ষণে তো খেলাটাই শেষের পথে। তারপরও এনামুলের প্রশংসা করেছেন ক্রুইফ এবং দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম। অধিনায়ক অকপটেই বললেন, এনামুল কষ্ট করেই এই জায়গায় এসেছে। আগে একজন স্ট্রাইকার ছিল। এখন দুই জন স্ট্রাইকার হয়েছে। এটা জাতীয় দলের জন্য ভালো। এখন জাতীয় দলে অনেকেই সুযোগ পাচ্ছে। আমি তো মনে করি আমার জায়গাটাও ধরে রাখা কঠিন।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩১ মে, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৪৪
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৯
পড়ুন