নতুন করে ভাবতে হবে-মুশফিক
১৫ জুন, ২০১৫ ইং
নতুন করে ভাবতে হবে-মুশফিক
শেষ বিচারে এক ম্যাচ সিরিজের ট্রফিতে সমান অংশীদার হিসেবেই ম্যাচ শেষ করলো বাংলাদেশ। কিন্তু কাগুজে এই কথাই শেষ কথা নয়। বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে তাই সংবাদ সম্মেলনে নিজের দলের ব্যাটিং নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে হলোই বেশি সময় ধরে—

আমাদের ব্যাটিং ভঙ্গিটা ঠিক ছিলো বলে মনে হয়?

আমাদের লক্ষ্য ছিলো, আমরা যেন ২৬৩ রানটা পার করতে পারি। সেটা তো হয়নি। কিছু ব্যাটসম্যান হয়তো একটু ভালো খেলেছে। তারপরও সেট হয়ে আউট হয়ে গেছে, এটা অস্বাভাবিক। এমন উইকেটে সেট হয়ে আউট হয়ে গেলে কঠিন হয়ে যায়।

অতিরিক্ত শট খেলার প্রবণতা কী ডুবিয়েছে?

এভাবে খেলে যে ওরা রান করে না তা না। তারপরও বলবো অ্যাওয়ে বল, ঐ সময়ে দুই প্রান্তে অফস্পিনাররা বল করছিল, তাদেরও একটু সতর্ক হওয়া উচিত ছিল, যেহেতু ওরা সেট হয়ে গিয়েছিল। আমার মনে হয়, এটা ওদের সিদ্ধান্ত নেয়ার ভুল ছিল, সে কারণেই ওরা দুই জনই আউট হয়েছেন, দুই জনই সেট হয়ে আউট হয়েছে।

আরেকটু রক্ষণাত্মক থাকলে এমন বিপর্যয় হতো না, বলছেন?

চতুর্থ বা পঞ্চম দিনের উইকেটে রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে খেললে আবার ফলাফল ভিন্ন হয়। এটা আসলে সমন্বয় থাকতে হয়। কখনো আপনি আক্রমণ করবেন, কখনো রক্ষণাত্মক থাকবেন। হয়তো আমি খেলতে পারিনি। কিন্তু যারা সেট হয়েছিল ওদের আরেকটু বোঝা দরকার ছিল।

কোনো শঙ্কা কাজ করছিলো? 

আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল ফলোঅন এড়ানো। ফলোঅন না এড়ালে ওরা হয়তো আবার ব্যাটিং দেবে। হয়তো আমরা কম সময় পেয়েছি, এমন হতে পারতো আমাদের ৮০ ওভার খেলতে হতে পারতো। আমাদের দ্বিতীয় লক্ষ্য ছিল ওদের রানের যত বেশি কাছে যাওয়া। কারণ, আমাদের ব্যাটসম্যান প্রায় ৮ জন ছিল। ব্যাটসম্যানরা যেন বেশি ওভার খেলে, তারা যেন বড় স্কোর করতে পারে। সেটা হয়নি। এমন সুযোগ টেস্টে এর আগেও এসেছে, আমার মনে হয় এই সুযোগগুলো নেয়া এখন শিখতে হবে। যেন এমন চতুর্থ বা পঞ্চম দিনের উইকেটে খেলে আমাদের অভ্যস্ততা আরও বাড়ে। কারণ, আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটে এমন সুযোগ হয়তো খুব একটা পাওয়া যায় না। অন্তত এই সুযোগগুলো আসলে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।

বোলিং কম্বিনেশন

আমাদের যে পরিকল্পনা ছিল সে অনুযায়ী হয়তো বোলিং হয়নি। উইকেটে সহায়তা থাকুক না থাকুক একজন বোলারকে তো ভালো জায়গায় বল করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি একটা পরিকল্পনা একটা ফিল্ডিং সাজাতে পারেন। ভালো জায়গায় বোলিংয়ের জন্য আপনি ফিল্ডিং সাজিয়ে খাটো লেন্থে বল করলেন বা ফুলটস দিলেন এতে আসলে অধিনায়ককে বোকা মনে হবে, মনে হবে দল কী পরিকল্পনা করছে।

শরীরী ভাষা কি একটু নেতিবাচক ছিলো?

অনেক সময় ধরে কোন উইকেট পড়ছে না। বোলার সুযোগ তৈরি করতে পারছে না। যখন ওই সুযোগগুলো না আসে তখনই শরীরী ভাষায় পরিবর্তন চলে আসে। আমি বলছি না বোলাররা এটা ইচ্ছে করেই এমন বল করে।

শুভাগতর প্রয়োজনীয়তা, কোয়ালিটি অফস্পিনারের অভাব অনুভব...

হ্যাঁ, অবশ্যই চিন্তা করার মতো বিষয়। কারণ আমরা যেভাবে হয়তোবা তাকে সুযোগ দিয়েছি সেভাবে হয়তোবা সে নিজেকে মেলে ধরতে পারেনি।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৫ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন