‘অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের কালো দিন’!
স্পোর্টস ডেস্ক০৮ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
‘অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের কালো দিন’!
মাত্র ৬০ রান! ১১১ বল! নিজেদের ব্যাটসম্যানদের এই পারফরম্যান্সে যারপরনাই হতাশ অস্ট্রেলিয়া গণমাধ্যম। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন ব্যাটিং ব্যর্থতা যেন তারা বিশ্বাসই করতে পারছে না। সিডনি মর্নিং হেরাল্ড, ব্রিসবেন কুরিয়ার মেইল কিংবা সিডনির ডেইলি টেলিগ্রাফের মতো জনপ্রিয় দৈনিকগুলো ট্রেন্টব্রিজ টেস্টের প্রথম দিনকে আখ্যায়িত করেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের সবচেয়ে বাজে দিন হিসেবে। কেউবা বলেছে, এর চেয়ে খারাপ কিছু সম্ভব নয়।

স্টুয়ার্ট ব্রডের বোলিং তোপে টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনের মাত্র অর্ধেক শেষ হবার পরেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। শত বছরের পুরনো টেস্ট ইতিহাসের প্রথম ইনিংসে এত দ্রুত অলআউট হয়নি আর কোন দল। নিজেদের সপ্তম সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ এটা। ২-১ এ পিছিয়ে থেকে ম্যাচ শুরু করা অজিদের সামনে সুযোগ ছিল সিরিজে সমতায় ফেরার। তবে জো রুটের অপরাজিত ১২৪ রানের উপর ভর করে প্রথম দিনেই ২১৪ রানের লিড নেয় ইংল্যান্ড। ফলে সফরকারিদের সিরিজে ফেরার সম্ভাবনা এখন নিতান্ত অবাস্তব বলেই মনে হচ্ছে।

ব্রিসবেন কুরিয়ার মেইল জোর দিয়েছে এ বিষয়েই, ‘তর্কযোগ্যভাবে এটা ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন দিন। পুরো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটই সঙ্কটে নিপতিত হলো। কারণ, দ্বিতীয় দিন শুরুর আগেই ইংল্যান্ড এগিয়ে গেছে ২১৪ রানে। মধ্যাহ্নবিরতির আগেই অস্ট্রেলিয়া ‘ব্রডে বিচ্ছিন্ন’ হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। আর দিন শেষের আগেই ধূলিস্মাত হয়ে গেছে তাদের অ্যাশেজ স্বপ্ন!’

অস্ট্রেলিয়া ১৯৩৬ সালে ৫৮ রানে অলআউট হবার পর অ্যাশেজে ব্যাটিং ধসের এত বড় নজির দ্বিতীয়টি নেই বলেও পত্রিকাটি তাদের অনলাইন সংস্করণে জানায়।

সিডনি ডেইলি টেলিগ্রাফের বেন হর্ন তার প্রতিবেদনে লেখেন, ‘ইয়ান বোথাম যেমন অস্ট্রেলিয়ার এই দলটিকে ‘গ্রাম থেকে উঠে আসা একটি অনূর্ধ্ব ১৯ দল’ বলেছিলেন, ঠিক তেমনই মনে হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট ঘোরতর বিপদের সামনে। এর চেয়ে খারাপ আর কিছু হওয়া সম্ভব নয়। এমন একটা সিরিজেই এই পারফরম্যান্স দেখা গেল, একমাত্র যে সিরিজ নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার মানুষ সত্যি সত্যি চিন্তা করে।’

সিডনি মর্নিং হেরাল্ড লেখে, ‘ন্যক্কারজনক একটি প্রথম দিন হিসেবে এটা টেস্ট ইতিহাসে স্থান পাবে। অথচ অস্ট্রেলিয়ার এই টেস্ট শুরুর আগে সমীকরণ ছিল, গত ৮০ বছরের মধ্যে প্রথম দল হিসেবে ১-২ ব্যবধানের ঘাটতি পুশিয়ে সিরিজে ফেরা।’

পত্রিকাটি আরো লেখে, ম্যাচ শেষে ক্লার্কের আট মিনিটের সংবাদ সম্মেলনের চেয়েও অস্ট্রেলিয়ার প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের উইকেটে থাকার ব্যপ্তি ছিল কম সময়!

অন্যদিকে, দ্য অস্ট্রেলিয়ানের শিরোনাম ছিল, ‘ট্রেন্টব্রিজে হরর শো।’ উইকেট থেকে ব্রড সাহায্য পেলেও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা কোন ধৈর্য্য কিংবা বুদ্ধির পরিচয় দিতে পারেননি বলেও উল্লেখ করা হয় এখানে। এএফপি

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০২১ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন