বোলারদের ব্যাটিং শেখা
২৭ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
বোলারদের ব্যাটিং শেখা
g  স্পোর্টস রিপোর্টার

ব্যাটসম্যানরা ব্যাটিংয়ে পারদর্শী হতে প্রাকটিস করবেন এটাই স্বাভাবিক। এটাই হওয়ার কথা। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে জাতীয় দলের জনা পাঁচেক বোলারকে দেখা যাচ্ছে খুব ব্যাটিং নিয়ে ব্যস্ত। কারণ একটাই, একেবারে নিচের দিক থেকেই কিছু রান এবং প্রতিরোধ আশা করে বাংলাদেশ।

প্রধান কোচ হাতুরুসিংহের পরিকল্পনারই অংশ। যেটা বাস্তবায়ন করছেন স্থানীয় কোচ মিজানুর রহমান বাবুল। ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরা যাতে দলের হয়ে অবদান রাখতে পারেন, সে চিন্তা মাথায় রেখেই হাতুরুসিংহের এমন উপলব্দি। এমনটা জানিয়ে বাবুল বলেন, ‘লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের বিশেষ কিছু বল খেলতে সমস্যা হয়। যেমন বাউন্সার-ইয়র্কার। এ রকম আরও কয়েকটি ডেলিভারি কিভাবে মোকাবেলা করা যায় বা এড়িয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়েই কাজ করছি।’

হঠাত্ এমন কার্যক্রম হাতে নেয়ার কারণ সম্পর্কে জানাতে গিয়ে স্থানীয় কোচ মিজান বলেন, ‘লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা রান করতে পারলে তা দলের জন্য বড় ব্যাপার। প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে আমাকে নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। সে অনুযায়ীই সব চলছে। আশা করি এই প্রোগ্রাম বোলারদের ব্যাটিং দক্ষতা বাড়িয়ে তুলবে এবং প্রয়োজনের সময় মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা তাদের কাছ থেকে সহায়তা পাবে।’

এ কারণেই গত কয়েক দিন ধরে নিয়মিত ব্যাটিং অনুশীলন করছেন মোহাম্মদ শহীদ, রুবেল হোসেন, জুবায়ের হোসেন লিখন, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাইজুল ইসলামরা। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হওয়া প্রোগ্রামটি চলবে আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত। অন্যদের মতো তাইজুলেরও ক্যাম্পে যোগ দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু জন্ডিসের কারণে ছুটিতে রয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে সুযোগ হলে কোচের প্রোগ্রোমে যোগ দিবেন জানিয়ে তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে অনেক আগেই এমন পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু এবার থাকতে পারলাম না অসুস্থতার কারণে। আমি পরে যোগ দিয়ে নিজ উদ্যোগেই ব্যাটিং নিয়ে কাজ করব। এটা খুব প্রয়োজন। বিশেষ করে যখন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানকে সঙ্গ দিতে গেলে এর কোনো বিকল্প নেই।’

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন বলেন, ‘এই প্রোগ্রামটা আমাদের অনেক কাজে দিবে। ব্যাটিংয়ে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। শেষ দিকে প্রতিপক্ষ বোলাররা লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ইয়র্কার কিংবা বাউন্সার দেয়। সেই বলগুলোর প্রতিরোধ হিসেবেই আমরা এই পরিকল্পনার অংশ হয়েছি। আশা করছি ভবিষ্যতে দলের প্রয়োজনে কার্যকর ব্যাটিং করতে পারব।’

নতুন এই প্রোগ্রাম প্রসঙ্গে পেসার রুবেল হোসেন বলেন, ‘বিশেষ কিছু নিয়ে কাজ করছি না। আমাদের ব্যাকফুট ও ফ্রন্টফুট নিয়ে কাজ করছি। যাতে ওইসব বলগুলো সহজে খেলতে পারি। হাথুরুসিংহের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে বাবুল ভাই আমাদের নিয়ে কাজ করছে। আজকে এই পরিকল্পনার প্রথম দিন শেষ হয়েছে।’

জাতীয় দলের পেসার মোহাম্মদ শহীদ বলেন, ‘সামনের বলগুলোর সঙ্গে বাউন্সারগুলো যেন ঠিকভাবে খেলতে পারি এটাই মূল উদ্দেশ্য। আমি যখন ক্রিজে থাকব, আমার অপর প্রান্তে মিডল অর্ডার কোনো ব্যাটসম্যান থাকলে তাকে যেন সাপোর্ট দিতে পারি সেই প্রচেষ্টা থেকেই কাজ করছি। চেষ্টা করব নিজের ত্রুটিগুলো এখান থেকে দূর করে নেয়ার।’ একই সুরে কথা বলেছেন সাতক্ষীরার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল উদ্দেশ্য বোলারদের বাউন্সারগুলো রুখে দেয়া। সেই সঙ্গে নিজেদের টেকনিকের উন্নতি করা। কোচ আমাদের আরও একটু দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই কারণেই ব্যাটিংয়ের দিকে বাড়তি মনোযোগ।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন