দুই দলের কোচই ক্ষুব্ধ
স্পোর্টস রিপোর্টার১৩ জুন, ২০১৬ ইং
দুই দলের কোচই ক্ষুব্ধ
ব্যাপারটার সাথে আবাহনীর খেলোয়াড় ও সমর্থকদের আচরণ জড়িত। ম্যাচ এই আচরণজনিত কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন বললেন, তিনি কারো পক্ষ নিতে চান না। কিন্তু আচরণগত কারণে খেলোয়াড়কে শাস্তি না দিয়ে ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়াটা অর্থহীন মনে করেন তিনি।

‘যদি কোনো খেলোয়াড় অন্যায় করে থাকে তাহলে আম্পায়াররা তাকে শাস্তি দিতে পারত। তাই বলে খেলা বন্ধ করে মাঠ থেকে চলে আসবে তা হতে পারে না। এটা ক্রিকেটের জন্য একটা বাজে ঘটনা হয়ে থাকবে’—আম্পায়াররা খেলা বন্ধ করে মাঠ থেকে চলে আসার পর এভাবেই বলছিলেন আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। গতকাল বিকেএসপিতে আম্পায়ারিং বিতর্কে খেলা বন্ধ হয়ে গেলে এভাবেই নিজের ক্ষোভ ঝাড়েন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

আবাহনীর কোচ সুজন খেলা বন্ধ হলে মাঠ ছাড়ার আগে বলেন, ‘এখানে খেলা চালিয়ে যাওয়া তেমন কোনো থ্রেট ছিলো না। আম্পায়াররা কেন মাঠ ছেড়ে চলে এলেন? কোনো খেলোয়াড় যদি অন্যায় করে থাকে তাহলে তারা তাকে শাস্তি দিতে পারতেন। তাদের তো সেই ক্ষমতা আছে। আমি বলবো কোনো দলের জন্য খেলা বন্ধ হয়নি, খেলা বন্ধ হয়েছে আম্পায়ারদের কারণে। আসলে খেলাটি ভালো অবস্থায় ছিলো, উভয় দলেরই জেতার সুযোগ ছিলো। এখন দেখা যাক কি হয়।’ 

এদিকে দোলেশ্বরের কোচ মিজানুর রহমান বাবুল বলেন, ‘আমাদের অফিসিয়ালি বলা হয়েছে বিষয়টি সিসিডিএমের কাছে জানানো হয়েছে। তারা যা সিদ্ধান্ত দেন। আমাদের বলা হয়েছিলো কার্টল ওভারে ৩৪ ওভারে ১৬০ রান করতে। ডিএল মেথডে হওয়ায় আমাদের আস্কিং রান রেট অনেক বেড়ে গেছে, তাই আমরা মেনে নেইনি। তাছাড়া আমরা এটা কেন মেনে নিবো, আমরাতো মাঠে কোনো অন্যায় করিনি। আজ যা হয়েছে এটা ক্রিকেটের জন্য ভালো খবর না।’

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন