স্মরণ: আর মাঠ দাপাবেন না ফুটবলার আব্দুস সালাম
১৩ জুন, ২০১৬ ইং
g মো. মতিউর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর

দিনাজপুরের ফুটবল খেলোয়াড় ও সংগঠক, জাতীয় ক্রীড়া পদক পাওয়া আব্দুস সালাম আর মাঠ কাঁপাবেন না। পঙ্গুত্ব ও অসহায় জীবন-যাপন শেষে গত ১ মে' তিনি এই নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে যান। তার নেতৃত্বে দিনাজপুরে গড়ে উঠে অসংখ্য ফুটবল খেলোয়াড়, কোচ ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন জেলা এবং অন্য দেশ থেকেও তিনি ফুটবলে জয় এনে দেন দিনাজপুরকে। যদিও এই মানুষটি মৃত্যুর আগে প্রায় ৮ বছর ধরে নিজ বাসভবনে নির্বাক ও পঙ্গু জীবন-যাপন করেছিলেন।

দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কথা স্মরণ করলেই প্রথমে আসে তার নাম। যেখানে খেলা সেখানেই ছিলেন আব্দুস সালাম। সেই সালামকে আজ আর মাঠে বা কোন খেলার অনুষ্ঠানে দেখা যাবে না। তবে যে কোন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলেই সকলের চোখের সামনে ভেসে আসে আব্দুস সালামের মুখ। ফুটবলে অনন্য অবদান রাখার জন্য ১৯৯৬ সালে তিনি জাতীয় পুরসড়ার পান। অসুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত ছিলেন দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি।

ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক আব্দুস সালাম ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলার এক ক্রীড়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৩/১৪ বছর বয়সেই ভাল ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে বৃহত্তর দিনাজপুর জেলায় পরিচিতি পান তিনি। অল্প বয়সেই জেলা ফুটবল দলে জায়গা করে নেন সালাম। ১৯৫৬ হতে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর জেলা দলের অপরিহার্য খেলোয়াড় ছিলেন তিনি।

সালামের পরিবারের সদস্যরাও দিনাজপুর ক্রীড়াঙ্গণে অবদান রেখেছেন। স্ত্রী আনোয়ারা সালাম ১৯৭২ সাল হতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা ছিলেন। ১৯৮২ সালে ৯ম এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের সহকারী ম্যানেজার ছিলেন তিনি। বড় ছেলে মোকাদ্দেম আনোয়ার ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগে বিভিন্ন দলের হয়ে খেলেছেন। ছোট ছেলে আকতার ইমাম (ডিয়ার) ১৫ বছর ঢাকার প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগের খেলার পর বর্তমানে দিনাজপুর বিকেএসপিতে ফুটবল কোচ। একমাত্র মেয়ে সানিয়া জেলা হ্যান্ডবল দলের একজন খেলোয়াড় ও সংগঠক ছিলেন।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন