বাপ ছেলের লড়াইয়ে জিয়ার জয়
স্পোর্টস রিপোর্টার০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং
বাপ ছেলের লড়াইয়ে জিয়ার জয়
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ টাওয়ারের লবিতে প্রিমিয়ার দাবা লিগে লড়াই করছেন দেশের সেরা দাবাড়ুরা। যেখানে সুপার গ্র্যান্ড মাস্টাররাও লড়াই করতে এসেছেন রাশিয়া, চীন এবং তাজিকিস্তান হতে। কিন্তু সবার চোখ আটকে গেল অন্য দাবা বোর্ডে। যেখানে লড়াই করছেন গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান এবং তার ১১ বছরের ছেলে তাহসিন তাজওয়ার। দাবার বোর্ডে বাপ ছেলে লড়াই দেখতে অন্য ক্লাবগুলোর খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের উত্সুক দৃষ্টিও সবার নজর কেড়েছে। বাবা জিয়াউর রহামন জিতেছেন। জিতবেন সেটা তো সবারই জানা। কিন্তু ছেলে তাহসিন তাজওয়ার যেভাবে পুরো গেম পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন সেটাই কম কিসে। বাপ ছেড়ে দেবেন তাহসিনকে সেটা কি হয়।

 

মিরপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল লিগের খেলায় মোহামেডানের কায়সার হামিদ রক্ষণভাগে। তার ভাই ববি ওয়ারীর স্ট্রাইকার। কায়সার হামিদকে কাটিয়ে ববি গোল করলেন বিনা বাঁধায়। ছেলেকে আলোচনায় আনতে এমনটা হতে পারতো জিয়া এবং তার ছেলে তাহসিনের বেলায়। কিন্তু ধানমন্ডির সেন্ট জুডস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র তাহসিন করুনা নিতে রাজি না। তাহসিন ভাল অবস্থান  পেলে সকলেই কৌতুহলী হন। সময় সংকট ও জিয়ার আক্রমনের মুখে সাড়ে তিন ঘন্টা লড়াই করে ৬৮ চালে হেরে যায় তাহসিন তাজওয়ার। বাবার সাথে লড়াই করে হেরেও তার আনন্দ। মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে বেরিয়ে খেলতে যাওয়ার সময় গাড়িতে পাশে বসা বাবা জিয়াউর রহমানের সাথে একটুও কথা বলেনি। ভাবখানা এমন ছিল একটু পরে যিনি হবে প্রতিপক্ষ তার সাথে আবার কিসের খাতির। পুত্র তাহসিনের মা তাসিমিম সুলতানা জানিয়েছেন এবারই প্রথম বাবা ছেলে একে অন্যের প্রতিপক্ষ হয়ে খেলল।

 

বাবা গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান শেখ রাসেল মেমোরিয়াল স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে খেলছেন। প্রতিপক্ষ তার ছেলে তাহসিন খেলছেন গোল্ডেন স্পোর্টিংয়ের হয়ে। দলের জয়ের জন্য তাহসিনের চেষ্টা ছিল। যেমনটা ঘরের মধ্যে জিয়ার বিপক্ষে জিততে চায় তাহসিন। মা তাসমিম বললেন, ‘বাবার কাছে খেলা শিখলেও তাহসিন খুব সিরিয়াস থাকে। জিয়াও খুব সিরিয়াস হয়ে খেলে। কারণ জিয়া খুব আনকম্প্রোমাইজড একটা ছেলে। নিজের ছেলের সাথে খেলবে তার পরও ছাড় দিতে রাজি না।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন