বিসিবি নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা কাল
১১ অক্টোবর, ২০১৭ ইং
g  স্পোর্টস রিপোর্টার

ক্রমেই নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গতকাল চূড়ান্ত হয়েছে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে থাকছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ওমর ফারুক। কমিশনের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) শুকুর আলী, ব্যারিস্টার ফাহিমুল হক ও বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।

গতকাল এনএসসিতে নির্বাচন কমিশনের চার সদস্য মিটিং করেছেন। আইসিসির সভায় যোগ দিতে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে গেছেন কমিশনের সদস্য ও বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। গতকাল তাই মিটিংয়ে ছিলেন না তিনি।

বিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কমিশনের মিটিংয়ে গতকাল নির্বাচনের নীতিমালা তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। খসড়া তৈরি হয়ে গেছে। আগামীকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে আসবেন কমিশনের সদস্যরা। তখনই নির্বাচনের নীতিমালাও চূড়ান্ত করা হবে। একই দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে বিসিবির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

যদিও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব আসাদুল ইসলামকে প্রধান করেই নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেছিল বিসিবি। কিন্তু আইনি জটিলতা থাকায় ক্রীড়া সচিব প্রধান নির্বাচন কমিশনার থাকছেন না। গত সোমবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনই ক্রীড়া সচিবের না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

কারণ বিসিবির গঠনতন্ত্র বিষয়ক আইনি লড়াই এখনো শেষ হয়নি। সর্বশেষ হাইকোর্ট বিসিবির বর্তমান কমিটিকে কেন অবৈধ বলা হবে না জানিয়ে রুল জারি করেছেন। যেখানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, এনএসসিকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, এমন অবস্থায় নির্বাচন কমিশনের পদে থাকতে অপরাগতা জানিয়েছেন ক্রীড়া সচিব। এবং বিসিবির নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

এদিকে গত রোববার (৮ অক্টোবর) সারা দেশের ক্লাব, জেলা, বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা, খেলোয়াড়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনএসসিসহ সব জায়গায় কাউন্সিলর চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে কাউন্সিলরের নাম মনোনয়ন করে চিঠি ফেরত পাঠাতে হবে বিসিবিকে।

কাউন্সিলর মনোনয়নে সবচেয়ে বেশি বিপাকে রয়েছে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জেলার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক, বিভাগের ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার কাউন্সিলর মনোনয়ন দেবেন। সে ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে সাবেক খেলোয়াড় বা ক্রিকেট সংগঠক। আর এ নিয়মের কারণে জেলা-বিভাগের সাধারণ সম্পাদকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। ইতোমধ্যে জামালপুর জেলার কাউন্সিলরশিপের চিঠি ছিনতাই হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মামলাও হয়েছে। এমন জটিলতা রয়েছে আরো কয়েকটি জেলা-বিভাগের কাউন্সিলর মনোনয়নে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৯
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৫৮
মাগরিব৫:৪০
এশা৬:৫১
সূর্যোদয় - ৫:৫৪সূর্যাস্ত - ০৫:৩৫
পড়ুন