‘জাতীয় দল নিয়ে ভাবছি না’
৩০ এপ্রিল, ২০১৮ ইং
‘জাতীয় দল নিয়ে ভাবছি না’

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ষষ্ঠ আসরে প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের শিরোপা জয়ে বড় অবদান ছিল আব্দুর রাজ্জাকের। ছয় ম্যাচে ৪৩ উইকেট নিয়েছিলেন এ বাঁহাতি স্পিনার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট ও সবচেয়ে বেশিবার ৫ উইকেট (৩৪ বার) পাওয়ার রেকর্ডধারী রাজ্জাকের সঙ্গে বিসিএলের পারফরম্যান্স ও সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন জান-ই-আলম

শেষ ম্যাচে এমন পারফরম্যান্সে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে বিসিএল শিরোপা জিতে নিশ্চয়ই অনেক খুশি?

আমার মনে হয় এটা বড় ধরনের কামব্যাক আমাদের জন্য। যত রকম যা যা দরকার ছিল সবকিছু হয়ে, একইভাবে এটা ভাগ্যেরও ব্যাপার। আল্লাহ আমাদের বিশালভাবে দিয়েছে জিনিসটা। তাছাড়া এটা সম্ভব না আমার কাছে মনে হয়। অবশ্যই আমাদের দলের খেলোয়াড়রা ভালো খেলেছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। সবাইকে কৃতিত্ব দিতে হবে।

বিসিএলে নিজের বোলিংয়ে কতটা সন্তুষ্ট?

বোলিং নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। আমি বেশি স্পিন করানোর চেষ্টা করি। আর অবশ্যই লাইন লেন্থ তো আসলে এই পর্যায়ে বলার কিছু নেই। এটা আবশ্যক। মূলত স্পিন বেশি করিয়ে যতটা যা করা যায় সেটাই চেষ্টা করেছি।

ছয় ম্যাচে ৪৩ উইকেট। সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের টার্গেট কি ছিল?

আসলে আমি কোনো টুর্নামেন্টের আগেই এসব মাথায় রাখি না। মনে থাকে যে, যখন যে ম্যাচটা খেলি সেই ম্যাচটা ভালো করে খেলার। টুর্নামেন্ট শেষে দেখা যাবে যে কয়টা (উইকেট) হয়, না হয়। চেষ্টা থাকে দলের জয়ের জন্য যেন অবদান রাখতে পারি।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশিবার ৫ উইকেট পাওয়ার রেকর্ডও এখন আপনার। বিষয়টা কেমন লাগছে?

আমার কাছে মনে হয় এটা বিশাল ব্যাপার। যত রকম রেকর্ড আছে সবগুলো নিজের কাছে থাকা। যদিও আমি এগুলো নিয়ে খুব একটা চিন্তিত না, চিন্তা করিনি। প্রত্যেকটা ব্যাপারই আমি পরে জানতে পেরেছি। আমি টার্গেট করিনি যে, এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে। আমি আমার কাজটা করার চেষ্টা করে গেছি। দেখা গেছে, হওয়ার পর কেউ একজন এসে বলেছে। আমার একবারও এমন হয়নি যে, আমি জানি যে এটা হতে যাচ্ছে, ওটা হতে যাচ্ছে। হওয়ার পরে শুনছি, এটা হয়েছে।

জাতীয় ক্রিকেট লিগের চেয়ে বিসিএল অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। আপনার কি মনে হয় বিসিএলের মাধ্যমে টেস্টের আদর্শ একটা প্রস্তুতি হয়?

আমাদের দেশে দুইটা টুর্নামেন্ট হয় লংগার ভার্সন ক্রিকেটে। যারা টেস্ট খেলবে তাদের জন্য আসলে এটাই প্রস্তুতি, যারাই খেলুক। জাতীয় দলের হোক, যারা দলের বাইরে আছে, যারা তরুণ আছে, যারা শিখতেছে সবার জন্যই মনে হয় দুইটা টুর্নামেন্টই গুরুত্বপূর্ণ। আর দেখুন সবার ধারণা জাতীয় ক্রিকেট লিগ অত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয় না। আমাকে বলতেই হবে, আমি শেষ ৪-৫ বছর টানা জাতীয় লিগ খেলছি। এখানে বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে জাতীয় লিগের মান। এছাড়া তো আমাদের আর অনুশীলনের (লংগার ভার্সন ম্যাচ) পথ নেই।

দেশের মাটিতে শেষ টেস্টটা আপনি খেলেছেন। সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ওই দিক থেকে কোনো লক্ষ্য আছে কিনা?

তেমন কোনো চিন্তা-ভাবনা, লক্ষ্য কিছু নেই আসলে। এখনও জানিও না যে, আমি দলে থাকবো কি, থাকবো না বা এই রকম কিছু। জাতীয় দল নিয়ে আসলে খুব বেশি চিন্তা করি না। জাতীয় দল নিয়ে চিন্তা করে লাভ নেই। এটা তো আর আমার নিয়ন্ত্রণে না। আমার নিজের নিয়ন্ত্রণে যেটা, আমি সেটা নিয়ে চিন্তা করি। যে ভালো খেলতে হবে। বাকিটা তো ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার। আমি বড় কি করতে পারি, আমি প্রস্তুত থাকতে পারি। সেটাই করতে চাই।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০২১ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন