টেস্টকে কঠিন মানছেন সিমন্স
স্পোর্টস রিপোর্টার০৪ জুন, ২০১৮ ইং
টেস্টকে কঠিন মানছেন সিমন্স
আফগানিস্তান এ পর্যন্ত তিনবার আইসিসির ইন্টার কন্টিনেন্টাল কাপ খেলেছে। চার দিনের এই টুর্নামেন্টে তারা দু’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং একবার রানার্সআপ হয়েছে। এই তথ্যই বলে দেয়, দলটি বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচ খেলতে অভ্যস্ত। ফলে টেস্ট ক্রিকেট শুরু করতে খুব সমস্যা হওয়ার কথা নয় তাদের। কিন্তু দলটির কোচ ফিল সিমন্স নিজের দলের খেলোয়াড়দের সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, টেস্ট ক্রিকেট এই ইন্টার কন্টিনেন্টাল কাপের চেয়ে দ্বিগুণ কঠিন একটা খেলা। এই খেলাটা মানসিকভাবে এতোটাই শক্ত যে, প্রথম টেস্টের আগে সংশয়ে আছেন আফগানিস্তান কোচ।

আগামী ১৪ তারিখ ব্যাঙ্গালুরুতে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে আফগানিস্তান। স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে প্রথম এই টেস্টের আগে সাবেক ক্যারিবিয় তারকা সিমন্স বলছিলেন, টেস্ট ক্রিকেট কঠিনতম এক জায়গা, ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, তাদেরকে (আফগান ক্রিকেটারদের) বোঝানো যে, টেস্ট ক্রিকেটটা আসলে কী। এটা (টেস্ট) চার দিনের ক্রিকেটের চেয়ে অনেক অনেক ভিন্ন এক ধরনের ক্রিকেট। তাদেরকে বুঝতে হবে যে টেস্ট ক্রিকেটের মানসিকতাটা কী, ধৈর্যের ভূমিকা কী, কীভাবে এখানে রান করতে হয়। ছেলেদের জন্য এটা সামান্য টেকনিক্যাল ব্যাপার। তার চেয়ে অনেক বেশি মানসিক ব্যাপার। কারণ, তাদের এটা খেলেই বুঝতে হবে যে, পাঁচ দিন ধরে ক্রিকেট খেলাটা মানসিকভাবে কতোটা কঠিন।’

আফগানিস্তানের চারদিনের টুর্নামেন্টে রেকর্ড খুব ভালো। এই অভিজ্ঞতাটা কিছুটা কাজে আসবে। কিন্তু সিমন্স বার বার করে বললেন, ওই ক্রিকেটের সাথে টেস্টকে মেলানো ঠিক হবে না। টেস্ট ক্রিকেট কী জিনিস, সেটা একমাত্র খেললেই খেলোয়াড়রা বুঝতে পারবে বলে তার মনে হয়, ‘এটা ভালো ব্যাপার যে, তারা চার দিনের অনেক ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু এটা ওদের বোঝাতে পারবে না যে, টেস্ট ক্রিকেট কী কঠিন হতে যাচ্ছে। আমার মনে হয় না, এটা আমি ওদের শেখাতেও পারবো। এটা এমন একটা ব্যাপার, যা ওরা যখন খেলবে, তখনই টের পাবে। আমাদের শুধু এটা বোঝাতে হবে যে, টেস্ট ক্রিকেট এই আই-কাপের (ইন্টার কন্টিনেন্টাল কাপ) চেয়ে দ্বিগুণ কঠিন জায়গা। প্রথম টেস্টের পর আমরা সবাই বুঝতে পারবো যে, এই লেভেলটা কতোটা উঁচু এবং এই লেভেলে খেলতে গেলে কী করতে হবে।’

আফগানিস্তান আছে এখন ভারতের দেরাদুনে। সেখানে গতকাল রাতে তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি খেলেছে। এই টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই টেস্ট খেলতে নামতে হবে তাদের। ফলে টেস্টের আগে কোনো প্রস্তুতির বড় সুযোগ মিলছে না। যদিও তারা নিজেদের ‘আপাতত হোম’ ভারতেই আছে; তারপরও প্রস্তুতি ম্যাচের অভাবটা যে ভোগাতে পারে, সেটা সিমন্স অস্বীকার করলেন না, ‘এটা ঠিক বলেছেন যে, প্রস্তুতি ম্যাচের অভাব থাকছে। বিশেষ করে বিশ্বের সেরা দলের সামনে খেলতে নামার আগে এটা দরকার ছিল। আমি অবশ্য এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করছি না। কারণ, কিছুদিন আগেই আমরা একটা তিন দিনের ম্যাচ খেলেছি।’

আফগানিস্তান দল অনেকদিন ধরেই ভারতে আছে। ভারতীয় বোর্ড তাদের দেখভাল করছে। এ ছাড়া দলটির কয়েকজন সদস্য আইপিএল খেলেছে। বিশেষ করে রশীদ খান ও মুজিব উর রহমানকে নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। সিমন্স বলছিলেন, আইপিএলের এই অভিজ্ঞতা তাদের কাজে দিতে পারে।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৪ জুন, ২০২০ ইং
ফজর৩:৪৪
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৪৬
এশা৮:০৯
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪১
পড়ুন