মুশফিক-মুমিনুলেই পার্থক্য দেখছে দুই দল
১২ নভেম্বর, ২০১৮ ইং

g স্পোর্টস রিপোর্টার

মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক প্রায় ৫ করে ওভারপ্রতি রান তুলেছেন। যতোক্ষণ দু’জনে ব্যাট করেছেন, মনে হয়েছে, এই উইকেটে রান করাটা খুব সহজ একটা কাজ। কিন্তু দিনশেষে জিম্বাবুয়ের ফাস্ট বোলার কাইল জার্ভিস স্বয়ং বলেছেন, এই উইকেট রান করার জন্য খুব কঠিন ছিলো। এখানে যে এতো রান হয়েছে, সে কৃতিত্ব শুধুই মুশফিক ও মুমিনুলের। আর মুমিনুল বললেন, তাদের এই কষ্টসাধ্য জুটিটা গড়ে উঠেছে মুশফিকের দারুণ সহায়তায়।

জার্ভিস বলছিলেন, সকালে তারা বেশ সুবিধা পেয়েছিলেন উইকেট থেকে। কিন্তু মুমিনুল ও মুশফিক সব ম্লান করে দিয়েছেন, ‘আমার মনে হয়, সকালে উইকেটে বেশ আর্দ্রতা ছিলো। সকালবেলায় সিম বোলিংয়ে বেশ সুবিধা পাওয়া গেছে। তবে আসল কৃতিত্ব মুমিনুল ও মুশফিকের প্রাপ্য। তারা দারুণ ব্যাট করেছে। তারা উইকেটে কঠিন সময় কাটিয়েছে এবং খুব সময়োপযোগী ব্যাটিং করেছে। তাদেরই কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। নইলে দিনের শুরুতেই আমরা পাঁচ-ছয়টা উইকেট পেয়ে যেতে পারতাম।’

জিম্বাবুয়ের সফল পেসার জার্ভিসের দাবি, বাংলাদেশি দুই ব্যাটসম্যানের দারুণ ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি তাদের ভুলটাও কম ছিলো না, ‘সারাদিনই এরপরও সিমারদের জন্য উইকেটে কিছু সুবিধা ছিলো। কিন্তু ওরা আসলে খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। সেইসাথে আমরাও ঘন্টা তিনেক খুব ভালো বল করতে পারিনি। আমরা এমন উইকেটে ওদের সহজে রান করার সুযোগ করে দিয়েছি, যেখানে রান করা সহজ নয়।’

সবমিলিয়ে জার্ভিস মনে করেন, বাংলাদেশই প্রথম দিনটা বেশি নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে,‘প্রথম সেশনের ওই অল্প সময় ভালো খেলাটা আমাদের জন্য যথেষ্ট ছিলো না। আমরা প্রথম একঘন্টা জিতেছি। এরপর শেষ ঘন্টা বাদ দিয়ে দিনের বাকিটা ওরা জিতেছে। তারা দিনের শুরু আর সম্ভবত শেষটা বাদ দিয়ে বাকি পুরোটা দিন নিয়ন্ত্রণ করেছে।’

বাংলাদেশের এই নিয়ন্ত্রণটা এসেছেন মুশফিক আর মুমিনুলের দারুণ ব্যাটিংয়ে। মুমিনুল দিনশেষে বলছিলেন, তার ক্ষেত্রে মুশফিকের সহায়তাটা খুব কাজে লেগেছে, ‘আমার ক্ষেত্রে মুশফিক ভাই খুব সাহায্য করেছে। তিনি আমারে ভালো গাইড করেছেন। আমি মাঠে অনুভব করেছি কেন উনি বাংলাদেশের সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের একজন। মাঠে খেলার সময় এই জিনিসটা আমাকে খুব নাড়া দিয়েছে। ওনার কিছু কিছু অ্যাডভাইস, গাইডেন্স এত ভালো ছিল, আমাকে ব্যাটিংয়ের সময় অনেক সাহায্য করেছে। ওনার সাহায্যটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমার ইনিংসে।’ 

মুমিনুল ও মুশফিক চতুর্থ উইকেটে রেকর্ড করে ফেলেছেন। কিন্তু মুমিনুল বলছিলেন, তারা রেকর্ড নিয়ে সেভাবে চিন্তাই করেননি, ‘রেকর্ড নিয়ে আমি তেমন চিন্তা করি না। আমি আর মুশি ভাই যখন ব্যাট করছিলাম তখন সেশন বাই সেশন ব্যাট করার চিন্তা করছিলাম। কারণ একটা সেশন আমাদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ওই সময় বোলাররা খুব ভালো বল করছিল। এখনও ভালো করছে। যেই কন্ডিশন উইকেট ছিল, অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমরা সেশন বাই সেশন, অল্প অল্প করে খেলার চেষ্টা করেছিলাম, রেকর্ড নিয়ে নয়। সেশন বাই সেশন খেললে আপনার একশ’ হবে, তারপর দেড়শ’ হবে, দিন শেষে রেকর্ডও হবে।’ 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন