সোস্যাল মিডিয়ায় আগ্রহ তরুণদের
মোজাহেদুল ইসলাম২৯ মে, ২০১৫ ইং
সোস্যাল মিডিয়ায় আগ্রহ তরুণদের
ইন্টারনেটের এই যুগে এসে এখন সকলের হাতে হাতেই দেখা মিলছে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসির মতো ডিভাইসের। আধুনিক সময়ের এসব প্রযুক্তি পণ্যের দিকে আবার তরুণদের ঝোঁকটাই একটু বেশি। সারাবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মও পিছিয়ে নেই প্রযুক্তির নতুন নতুন এসব উপকরণ ব্যবহারে। তাই বাংলাদেশেও গত কয়েক বছরে দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে স্মার্টফোনের বাজার। আর এর ফলে সোস্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমের ব্যবহারও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক বা টুইটারের পাশাপাশি এখন ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সার্ভিসগুলোতেও সেইসাথে বাড়ছে তরুণদের ব্যবহার। এর মধ্যে আবার বৈশ্বিক সব সেবার সাথে সাথে শুরু হয়েছে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য তৈরি করা স্থানীয় ভাষার সব অ্যাপের ব্যবহার। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, স্কাইপের সাথে তাই এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে কমোয়োর মতো সেবা।

সোস্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন ধরনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপীই এগিয়ে রয়েছে ফেসবুক। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যাত্রা অব্যাহত রাখা ফেসবুক গোটা বিশ্বেই যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তার ছোঁয়া লেগেছে বাংলাদেশেও। বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে যারা ইন্টারনেটে সংযুক্ত রয়েছেন, তাদের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এখন বড় মাধ্যমে পরিণত হয়েছে ফেসবুক। কেবল যোগাযোগই নয়, ফেসবুক বাংলাদেশেও পরিণত হয়েছে বিকল্প গণমাধ্যমে। যেকোনো খবরই অনেক সময় অনেক প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমেরও আগে ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। খবরাখবর শেয়ারের দিক থেকেও এগিয়ে ফেসবুক। তাছাড়া তরুণদের শিক্ষার মাধ্যম হিসেবেও ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি সেবাতেও ইদানীং শুরু হয়েছে ফেসবুকের ব্যবহার। তাছাড়া তরুণরা এখন ফেসবুককে ব্যবহার করে নিজেদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এক কথায় ফেসবুক এখন ইন্টারনেটে যুক্ত বাংলাদেশিদের জন্য পরিণত হয়েছে অসামান্য যোগাযোগের এক মাধ্যমে।

ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যম তেমন জনপ্রিয়তা না পেলেও ইনস্ট্যান্ট মেসেজিংয়ের বিভিন্ন অ্যাপ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসি ব্যবহারকারীদের কাছে। এর মধ্যে শুরুতেই বলতে হবে হোয়াটসঅ্যাপ এবং ভাইবারের কথা। ফেসবুকের নিজস্ব মেসেঞ্জার অ্যাপ থাকলেও হোয়াটসঅ্যাপ এবং ভাইবারের ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম নয়। বিশেষত মোবাইল অপারেটরগুলোর অনেকেই বিনামূল্যে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ায় হোয়াটসঅ্যাপের জনপ্রিয়তা বেশ বেড়েছে। রিয়েল-টাইমে বন্ধুদের সাথে বার্তা আদান-প্রদানের সাথে সাথে ছবি বা ভিডিও শেয়ারিং এবং নানা ধরনের ইমোজি, ইমোটিকন, স্টিকার প্রভৃতি ব্যবহারের সুবিধা থাকায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও হোয়াটসঅ্যাপ বেশ জনপ্রিয়।

ইনস্ট্যান্ট মেসেজিংয়ের অ্যাপ হিসেবে স্থানীয় বেশকিছু অ্যাপও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে নিতে। এর মধ্যে দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের মূল প্রতিষ্ঠান টেলিনর গ্রুপ বাংলাদেশের তরুণদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করেছে কমোয়ো নামের একটি ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ। পূর্ণাঙ্গ বাংলা মেসেঞ্জার অ্যাপ হিসেবে কমোয়োতে বাংলা ভাষায় চ্যাট করার সুবিধা ছাড়াও রয়েছে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট শেয়ারিংয়ের সুবিধা। তবে কমোয়োর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো বাংলা ভাষায় তৈরি নানা ধরনের স্টিকার। কেবল স্টিকার ব্যবহার করেই যাতে আড্ডা আর আলাপ চালিয়ে যাওয়া যায় অনলাইনে, তা নিশ্চিত করার জন্য বৈচিত্র্যময় সব স্টিকারের সম্ভার রয়েছে কমোয়োতে। নিত্যদিনের আলাপ থেকে শুরু করে আবেগ এবং এমনকি বাঙালি আদিখ্যেতা নিয়েও রয়েছে কমোয়োর স্টিকার। মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে কমোয়োর মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বা সার্কেলের সাথেও আড্ডা জমানো যাবে স্টিকারে স্টিকারে। আপাতত অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এই বাংলা মেসেঞ্জার অ্যাপটি। গুগল প্লেস্টোরের https://goo.gl/QXCcz7 লিংকে গিয়ে ডাউনলোড করা যাবে বাংলা স্টিকারে ভার্চুয়াল আড্ডা জমানোর মেসেঞ্জার কমোয়ো।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৯ মে, ২০২০ ইং
ফজর৩:৪৫
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৪৩
এশা৮:০৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৮
পড়ুন