প্রবীণদের পরিচর্যায় রোবট
০৫ এপ্রিল, ২০১৮ ইং
প্রবীণদের পরিচর্যায় রোবট
গা ধোয়া, হাঁটাচলা কিংবা আদর করা থেকে শুরু করে সব কাজেই জাপানের প্রবীণাবাসে পরিচারকরা সাহায্য পান তাদের ইলেকট্রনিক সহকর্মীদের কাছ থেকে। রোবটরা দামে কম নয়, কিন্তু প্রবীণরা দৃশ্যত রোবট পছন্দ করেন। ব্যায়াম বা কসরত করতে হলে রোবটরাই তা করে দেখাতে পারে। জাপানে প্রবীণদের সংখ্যা ও অনুপাত ক্রমেই বাড়ছে। হিসেব অনুযায়ী, ২০৩৫ সালে জাপানের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের বয়স হবে ৬৫ বা তার বেশি। এই পরিস্থিতিতে প্রবীণদের পরিচর্যার জন্য রোবটদের কাজে লাগানো ফ্যাশন নয়, নিছক আবশ্যকতা।

রোবট সারমেয় :শিন-তোমি প্রবীণাবাসে পোষ্য প্রাণী বলতেও রোবট, যেমন ‘আইবো’ নামের কুকুরের সঙ্গে খেলছেন প্রবীণরা। এ ধরনের ২০টি বিভিন্ন মডেল রয়েছে। বাসিন্দারা তাদের যাকে ইচ্ছে নিয়ে খেলতে পারেন। ওদিকে জাপান সরকারের আশা যে, বিদেশেও ‘আইবো’-র মতো রোবট কুকুরের চল হবে। রোবট যেখানে ট্রেনার :টোকিওর এই প্রবীণাবাসে বাসিন্দাদের ব্যায়াম করানোর দায়িত্ব ‘পেপ্পার’ বা ‘মরিচ’ নামের একটি রোবটের। ‘মরিচ’-এর গলাটা ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মতো খ্যানখ্যানে হলেও, সে কিন্তু ভারী অমায়িক এবং অত্যন্ত ভদ্রভাবে ‘এবার ডান দিকে, এবার বাঁ দিকে, বাহ! খুব ভালো হয়েছে’  ইত্যাদি নির্দেশ দেয়। জাপানের মোট ৫০০ প্রবীণাবাসে ‘মরিচ’-এর দেখা পাওয়া যাবে। সে নাকি হালকা গোছের কিছু আলাপচারিও করতে পারে। রোবটের সাহায্যে হাঁটতে শেখা :যন্ত্রের সাহায্য নিয়ে প্রবীণ-প্রবীণারা হাঁটতে শেখেন। কীভাবে ভারসাম্য রাখতে হবে, কোথায় পা ফেলতে হবে, সব কিছু দেখিয়ে দেয় ওই রোবট। এসব সত্ত্বেও রোবট কোনোদিনই মানুষের জায়গা নিতে পারবে না বলে জাপান সরকারের বিশ্বাস। তবে রোবটরা প্রবীণ-প্রবীণাদের মনোরঞ্জন ও পরিচারকদের কর্মভার লঘু করার কাজে সাহায্য করতে পারবে।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৫ এপ্রিল, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩০
যোহর১২:০২
আসর৪:৩০
মাগরিব৬:১৯
এশা৭:৩২
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৬:১৪
পড়ুন