বিদেশে অর্থপাচারকারীদের কর ফাঁকির সন্ধানে নামছে এনবিআর
ইত্তেফাক রিপোর্ট২৩ অক্টোবর, ২০১৪ ইং
যারা বিদেশে অর্থপাচার করেছেন তাদের আয়ের উত্স সম্পর্কে জানতে মাঠে নামছে রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এসব অর্থপাচারকারীর তালিকা তৈরি করে তাদের আয়ের উত্স ও করের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইবে এনবিআর। কর ফাঁকির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের কাছ থেকে কর আদায় করা হবে। গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইস্টার্ন ব্যাংক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। তিনি বলেন, বিদেশে যারা সেকেন্ড হোম বানিয়েছেন তাদের অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তাদের সহযোগিতাও নেয়া হবে। অনেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে সেকেন্ড হোম বানিয়েছেন। এসব ব্যক্তি কোনো দেশেই কর প্রদান করছেন না। তাদের কর আদায় করতে পারলে হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ সম্ভব। প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা ও কাতারের দূতাবাসের মাধ্যমে সেসব দেশে সেকেন্ড হোম নির্মাণকারীদের তথ্য চাওয়া হবে। বাংলাদেশের সাথে ৩৩টি দেশের দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি রয়েছে। এসব দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য বা বাড়ি নির্মাণে যে কোনো এক দেশে কর দিলেই হয়। এ সুযোগ নিয়ে অনেকেই কোনো দেশেই কর দেয় না। তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ ও কর ফাঁকি রোধে নগদ লেনদেন বন্ধ করতে হবে উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, হাতে হাতে নগদ লেনদেনের ফলে দেশের সবচেয়ে বড় শপিংমল বসুন্ধরা মার্কেটের ৬৬ শতাংশ ব্যবসায়ী ভ্যাট ও মাত্র ৪৪ শতাংশ ব্যবসায়ী কর প্রদান করেন। ব্যাংকের চেক, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন হলে এমনটি হবে না।

অর্থনীতিবিদদের মতে আমাদের দেশে কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তির সংখ্যা ৬০ লাখের বেশি। আর দেশে ব্যবসায়ী রয়েছে ৮০ লাখের বেশি। অথচ গত কয়েক বছর ধরে দেশে করদাতার সংখ্যা ১০ থেকে ১২ লাখের মধ্যেই থাকছে। কর দেয়ার বিষয়ে আমাদের দেশে শিক্ষার অভাব রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষ ভুল আশঙ্কা থেকে কর দিতে ভয় পায়। অনুষ্ঠানে এ সময় ইস্টার্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৩ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৯
মাগরিব৫:২৯
এশা৬:৪২
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৪
পড়ুন