একক ঋণগ্রহণ সীমা
বিদ্যুত্খাত ক্ষতিগ্রস্তের আশঙ্কা
ইত্তেফাক রিপোর্ট১৩ জুন, ২০১৬ ইং
ব্যাংক ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে একক ঋণগ্রহীতার ঋণ সীমা (সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার লিমিট) থেকে বিদ্যুত্সহ কয়েকটি বিশেষ খাত ও প্রতিষ্ঠানকে দেয়া অব্যাহতি সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। নতুন নিয়মানুযায়ী ব্যাংকগুলো আর কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে তার রক্ষিত মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে পারবে না। এমনকি এর আগে যে বর্ধিত ঋণ সুবিধা দেয়া হয়েছে তাও আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ফলে বিদ্যুত্ খাতের বর্তমান উদ্যোক্তারাই কেবল বিপাকে পড়বে না; ভবিষ্যতে বিদ্যুত্ প্রকল্পসমূহের অর্থায়নেও সমস্যার সৃষ্টি হবে। বিদ্যুত্ খাতের উদ্যোক্তাদের ব্যাংকের সাথে অন্যান্য শিল্প-বাণিজ্যিক ঋণ নিয়ে সংকট সৃষ্টি হবার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুত্ খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এ প্রজ্ঞাপনের কারণে দেশের বিদ্যুত্ খাতে এবং সার্বিকভাবে বেসরকারি খাতের শিল্প-বাণিজ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে।

গত ১০ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুত্ খাতের বিনিয়োগকারীদের জন্য বর্ধিত ঋণ সুবিধা বাতিল করার কথা বলা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার পথে প্রতিবন্ধকতা বলেও খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন ২০১৩ সালে সংশোধন করার পর আগের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবিধি ও নীতিবিভাগ ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি ‘সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার লিমিট’ এর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। তবে ওই প্রজ্ঞাপনে ব্যতিক্রম হিসেবে বলা হয়, বিদ্যুত্ উত্পাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের জন্য বিদ্যুত্ বিভাগের (এবং এর আওতাধীন সংস্থাসমূহ) সাথে চুক্তিবদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠানকে যদি কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে একক ঋণগ্রহীতার ঋণ সীমা প্রযোজ্য হবে না।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন