‘দুই বছরে মাছ উত্পাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন’
ইত্তেফাক রিপোর্ট২৭ জুলাই, ২০১৬ ইং
দেশে প্রতিবছর গড়ে এক লাখ ৬৪ হাজার টন মাছ উত্পাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে মত্স্য এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী  মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০১৮ সাল নাগাদ বাংলাদেশ মাছ উত্পাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারবে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে জাতীয় মত্স্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অ্যাকুয়াকালচার খাতের সব স্তরে খাদ্য নিরাপত্তা এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের ওপর এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এ কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে মত্স্য বিশেষ করে অ্যাকুয়াকালচার খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। ১৬ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে ৬০ ভাগ আমিষের চাহিদা পূরণ হয় এই খাত থেকে। সেই সঙ্গে মাছ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সঙ্গে সঙ্গে বহু লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যে পরিকল্পনা করেছে তা বাস্তবায়নের জন্য মত্স খাত বড় অবদান রাখতে পারে। তাই এ খাতে সরকারের তদারকি বাড়াতে হবে। মানুষের সম্পৃক্ততাও বাড়াতে হবে।

অনুষ্ঠানে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মাহমুদুল করিম। কর্মশালায় মত্স্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ বলেন, মত্স্য এবং অ্যাকুয়াকালচার খাতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে এ খাত ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী হবে। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর ভাইস  চেয়ারম্যান মাফরুহা সুলতানা, বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এর সমন্বয়ক এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব  মো. ফকির ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ, মত্স্য অধিদপ্তরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিত্য রঞ্জন বিশ্বাস, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরনারি প্যাথলজি বিভাগের প্রধান ড. মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ জুলাই, ২০২১ ইং
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৮
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
পড়ুন