শিপ রিসাইক্লিং শিল্পে শ্রমিকদের কর্ম পরিবেশ উন্নতি করা হচ্ছে :শিল্পমন্ত্রী
ইত্তেফাক রিপোর্ট২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ইং
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, দেশের স্টিল ও রি-রোলিং কারখানাগুলোর অধিকাংশ কাঁচামাল আসছে শিপ রিসাইক্লিং শিল্পখাত থেকে। ইতোমধ্যে শিপ রিসাইক্লিং শিল্পে কর্মরত শ্রমিক ও কর্ম পরিবেশের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ ও শ্রম নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের শিপ রিসাইক্লিং শিল্পের বিষয়ে বিতর্ক থাকলেও বর্তমানে এখাতে উদাহরণ সৃষ্টি করার মতো শিল্প গড়ে উঠেছে। এসব শিল্প দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইন-কানুন ও গুণগতমান অনুসরণ করছে। শিপ রিসাইক্লিং শিল্পখাতের স্বার্থে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ রিসাইক্লিং প্রকল্প সমপ্রসারণের প্রতি সরকারের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান। শিল্পমন্ত্রী গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে শিল্প মন্ত্রণালয় বাস্তবায়িত ‘নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ রিসাইক্লিং’ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ  কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব বেগম ইয়াসমিন সুলতানা। এতে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল বি­কেন, ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের পরিচালক ড. স্টিফেন মিকালেফ বক্তব্য রাখেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে পরিবেশ সুরক্ষায় বর্তমান সরকার সবুজ শিল্পায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সবুজ প্রযুক্তি প্রয়োগের ফলে শিপ রিসাইক্লিং শিল্পখাত ধীরে ধীরে পরিবেশবান্ধব শিল্প হিসেবে গড়ে উঠছে। এ শিল্পে কর্মরত জনবল ও পরিবেশের সুরক্ষায় ‘ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিস্পোজাল ফ্যাসিলিটি’ গড়ে তোলা জরুরি। তারা এ লক্ষ্যে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম দ্রুত শুরুর তাগিদ দেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সবুজ শিল্পায়নের ক্ষেত্রে এসডিজি’র লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ ইং
ফজর৫:১০
যোহর১২:১৩
আসর৪:২১
মাগরিব৬:০১
এশা৭:১৪
সূর্যোদয় - ৬:২৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৬
পড়ুন