কয়েকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল দৃশ্যমান করার তাগিদ
২০ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং

পিআরআইর সেমিনারে বক্তারা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

দেশের ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) এক সঙ্গে না করে আগেভাগে কিছু দৃশ্যমান হওয়া উচিত। যাতে সফল অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশে বিনিয়োগ আকর্ষন তৈরি করতে পারে। এ জন্য মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ থেকে ৭ টি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন বক্তারা।

সোমবার পলিসি রিচার্স ইন্সস্টিটিউটে (পিআরআই) অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। রাজধানীর বনানীর পিআরআই সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজির মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কতৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী ছাড়াও অর্থনীতিবিদ ও উদ্যোক্তারা এ সময় বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল কতগুলো সফল করা যাবে, তা নির্ধারন করা জরুরি। এর সফলতার উপর নির্ভর করছে দেশের অর্থনীতি আগামীর গতিপথ। এ জন্য সব অর্থনৈতিক অঞ্চল একসঙ্গে না করে, যতগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব, তা নিয়ে পরিককল্পনা করা প্রয়োজন।

এ কে খান অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক শাহদাত হোসেন বলেন, অর্থনেতিক অঞ্চল বাস্তবায়নে অনেক কাজ করার আছে। জমি অধিগ্রহণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি খুব দ্রুত করা প্রয়োজন। যাতে প্রতিযোগি দেশগুলোর সঙ্গে সক্ষমতা অর্জন সম্ভব হয়। বিনিয়োগ আকর্ষণ করা যায়। এ জন্য একসাথেই ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল আগে প্রয়োজন নেই। কিছু কার্যক্রম আগে বাস্তবায়ন করে দৃশ্যমান করা উচিত। আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাঈনুদ্দিন মোনেম বলেন, সব ইজেড বাস্তবায়ন নয়, এক সঙ্গে ৫টি ইজেড আগে বাস্তবায়ন করে মডেল স্থাপন করতে হবে। যাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য দৃশ্যমান হয়।

পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুরের সঞ্চালনায় এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জি এম খুরশীদ আলম।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেশে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে। এই সংখ্যাটা অনেকে ম্যাজিক বলছেন। তবে বিদ্যুত্ উত্পাদন বাড়ানোর আগে একই সমালোচনা হয়েছে। এখন বিদ্যুতে এগিয়েছে, একই ভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চলও এগিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি যৌথ প্রচেষ্টা থাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিবর্তনের ধারায় রয়েছে। আমদানি ও রপ্তানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এখন অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের মাধ্যমে উত্পাদনভিত্তিক শিল্পায়নের দিকে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হবে। পাশাপাশি অনেক বিষয়ে পরিবর্তন করতে হবে। এসব করতে সময় লাগবে।

তিনি বলেন, জমি পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হলেও ইতোমধ্যে অনেক জমি অধিগ্রহণ হয়েছে। দেশের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলে আরও পতিত জমি রয়েছে তা অধিগ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে। এ ছাড়া ব্যবসায় পরিচালনা ব্যয় কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

পবন চৌধুরী ব্যবসায়ীদের কম সংখ্যক অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়ন ও তা দৃশ্যমান করা সংক্রান্ত বক্তব্যের জবাবে বলেন, বেশি সংখ্যক অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বাস্তবায়নে অগ্রগতি - দুটোতেই সাফল্য চায় বেজা।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২০ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৪
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৭
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পড়ুন