এডিবির সেমিনারে বক্তারা
পাঁচ বছরে অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজন ৩২০ বিলিয়ন ডলার
১২ নভেম্বর, ২০১৮ ইং
g ইত্তেফাক রিপোর্ট

আগামী পাঁচ বছরে অবকাঠামোগত খাতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩২০ বিলিয়ন ডলার। তবে অর্থায়নের জন্য অনেক সুযোগও আছে। বিশাল এই অর্থায়নে সরকারের পাশাপাশি অংশীদার হবে বেসরকারি খাতও। এক্ষেত্রে সহযোগিতা দিতে এগিয়ে আসবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এখানে বিনিয়োগের জন্য এরই মধ্যে চীন, জাপানসহ অন্য দেশগুলো এগিয়ে আসছে। এডিবিও এ সুযোগ কাজে লাগাতে এদেশের রাস্তা, রেল, সেতু, মেগা প্রকল্পসহ নীতিগত সংস্কারেও বিপুল বিনিয়োগে আগ্রহী। তবে, আগামীতে ঋণের অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন কৌশল পরিপালন করবে এই সংস্থা। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিভাবে হবে। গতকাল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এডিবি আয়োজিত বাণিজ্য সম্ভাবনা বিষয়ক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ।

সেমিনারের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, এডিবি বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। তারা এ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ঋণ এবং সহায়তা বাবদ দিয়েছে ২২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। রোহিঙ্গাদের জন্যও ব্যয় করেছে ১০০ মিলিয়ন ডলার। যা খুবই প্রশংসনীয়। নির্বাচনে নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের ধারা বেগবান হবে। উন্নয়নের গতি আর থামিয়ে রাখা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে এডিবি ভূমিকা রেখেছে। তাই ভবিষ্যতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন না করলেও এডিবি এ বিষয়ে আগ্রহ দেখানোর কারণে তাদের প্রশংসা করেন তিনি।

সেমিনারে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থায়ন কৌশলের দিকটি গুরুত্ব পায়। এডিবি মনে করে, আগামী পাঁচ বছরে অবকাঠামো উন্নয়নে বাড়তি বিনিয়োগ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অর্থায়নের জন্য অনেক সুযোগও আছে। এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এ বিষয়ে বলেন, অবকাঠামো খাতে বড় অর্থায়ন প্রয়োজন। বাংলাদেশকে অর্থায়নে প্রস্তুত এডিবি, কারণ এরই মধ্যে নানাখাতে বিনিয়োগ করেছি আমরা। এদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা অংশীদারিত্ব বাড়াবো। অংশীদারদের আর্থিক সহায়তা নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে এডিবি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুত্, জ্বালানি, স্থানীয় সরকার, পরিবহন, শিক্ষা, কৃষি, পানিসম্পদ, সুশাসন, স্বাস্থ্য ও আর্থিকখাতে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে এডিবি। আগামীতে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কৌশল পরিবর্তন করেছি আমরা। ক্রয় ব্যবস্থায় সংস্কার আনা হয়েছে, এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসবে। ১৯৭৬ সালের পর থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে এডিবি। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উন্নয়ন এই সহযোগীর মূল উদ্দেশ্য, এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বেগবান করা।

সেমিনারে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বেগবান করতে উন্নয়ন সহযোগীদের সম্পৃক্ত করতে চায় সরকার।

সেমিনারে এডিবি পোর্টফোলিও অ্যান্ড অপরচুনিটিজ, নিউ প্রোকিউরমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক, শেয়ারিং এক্সপেরিয়েন্স ইন এডিবি প্রজেক্টস প্রভৃতি বিষয়ে আলাদা আলাদা সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশি বিদেশি বিশেষজ্ঞরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন