রুপি তোলায় অর্থনীতিতে বৈরী প্রভাব পড়েছে
০১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ইং
স্বীকার মোদী সরকারের

g বিবিসি

৫শ’ ও ১ হাজার মূল্যমানের ব্যাংকনোট তুলে নেওয়ায় ভারতের অর্থনীতিতে ‘বৈরি প্রভাব’ পড়ার কথা অবশেষে স্বীকার করেছে সরকার। বুধবার জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগে প্রকাশিত এক জরিপ থেকে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

দেশটির ইকনোমিক সার্ভে এক জরিপ চালায়। এতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক ও বিতর্কিত এ পদক্ষেপের ফলে দেশের প্রবৃদ্ধি কমে গিয়েছে। গত ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্নীতি ও তথাকথিত কালো টাকা ও অবৈধ অর্থ রাখার বিরুদ্ধে অতর্কিত অভিযান আরম্ভ করে। এসময় ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট বাতিল করা হয়। সরকারের এহেন ব্যবস্থায় অর্থ সংকটে পড়ে লোকজন। বিশেষ করে সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীদের ওপর ব্যাপক আঘাত আসে।

ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি আজ দিল্লিতে ইউনিয়ন বাজেট দিতে যাচ্ছেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, আশা করছি মার্চ থেকে সামনের দিকে অর্থনৈতিক অবস্থা আবার তার বৈরিতা থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় চলে আসবে। অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহের ফলেই আর্থিক ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে। এছাড়া সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অরভিন্দ সুব্রামানিয়ান বলেন, জিডিপির ওপর এ বিপরীতমুখী প্রভাব পরিবর্তিত হয়ে যাবে। কিন্তু এ পদক্ষেপে দুর্নীতি যদি দূর হয় এবং  আর্থিক বিনিময় অল্প পরিমাণেরও হয়, দীর্ঘ মেয়াদে এর সুফল জনগণ ভোগ করতে পারবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, সরকারের এ পদক্ষেপের ফলে এ বছর মার্চ মাস নাগাদ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ১ শতাংশে নেমে এসেছে। যা আগের অর্থবছরে ছিল ৭ দশমিক ৬ শতাংশ। নোটগুলো বাজার থেকে উঠিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের আগেই বিভিন্ন তথ্যের ওপর নির্ভর করে এ হিসাব দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। তাই প্রবৃদ্ধি আরো পড়ে যেতে পারে বলে জোর দিয়ে বলা হয় প্রতিবেদনটিতে।   

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ ইং
ফজর৫:২১
যোহর১২:১৩
আসর৪:০৯
মাগরিব৫:৪৮
এশা৭:০৩
সূর্যোদয় - ৬:৩৯সূর্যাস্ত - ০৫:৪৩
পড়ুন