অর্থনীতি | The Daily Ittefaq

কল ড্রপের শীর্ষেও গ্রামীণফোন

কল ড্রপের শীর্ষেও গ্রামীণফোন
ইত্তেফাক রিপোর্ট২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ইং ১০:৪৯ মিঃ
কল ড্রপের শীর্ষেও গ্রামীণফোন
 
নম্বর না বদলে অপারেটর পরিবর্তন (এমএনপি) সেবায় মোবাইল ফোন কোম্পানি ছাড়ার তালিকায় শীর্ষে থাকার পাশাপাশি কল ড্রপেও অন্যদের পেছনে ফেলেছে গ্রামীণফোন। গত একবছরের বেশি সময় ধরে কল ড্রপের শীর্ষে রয়েছে অপারেটরটি। গত ১৩ মাসে গ্রামীণফোনের কল ড্রপ হয়েছে ১০৩ কোটিরও বেশি বার। গতকাল সোমবার টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির এক প্রতিবেদনেই এই তথ্য উঠে এসেছে।
 
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩ মাসে ১০৩ কোটি ৪৩ লাখ কল ড্রপ হয়েছে গ্রামীণফোনে। এই একই সময়ে রবির কল ড্রপের সংখ্যা ৭৬ কোটি ১৮ লাখ, বাংলালিংকের ৩৬ কোটি ৫৪ লাখ ও টেলিটকের প্রায় ৬ কোটি বার। বিটিআরসির নির্দেশনা অনুসারে, প্রতিটি কল ড্রপের জন্য গ্রাহককে ১ মিনিট (কল মিনিট) ফেরত দিতে হয়। অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে এ বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা গ্রাহককে সব কল মিনিট ফেরত দেয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রামীণফোনের ১০৩ কোটি ৪৩ লাখ বারের কল ড্রপের বিপরীতে ১০ কোটি ৩০ লাখ, রবিতে ৬ কোটি ৮২ লাখ ও বাংলালিংকে ৪ কোটি ৯৪ লাখ মিনিট ফেরত পেয়েছেন গ্রাহকরা। বাকিটা তারা দেয়নি।
 
প্রসঙ্গত, গ্রামীণফোনের কল ড্রপ নিয়ে রবিবার জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সংসদের পয়েন্ট অব অর্ডারে দেওয়া বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এটা হতে পারে না, এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। একবার কথা বলতে ৪/৫ বার কল করতে হয়।’ এই কল ড্রপের ঘটনা যেন না ঘটে, বাণিজ্যমন্ত্রী সেজন্য টেলিযোগাযোগমন্ত্রীকে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
 
তিনি বলেন, ‘ইদানিং লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, আমরা যারা গ্রামীণফোন ব্যবহার করি, প্রত্যেকটি কলে কল ড্রপ হয়। একেকটি কলে ৩, ৪, ৫ বার ড্রপ হয়। এজন্য বারবার কল করতে হয়। এ ব্যাপারে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের কাছে আমি অনুরোধও করেছি। আমরা গুরুত্বপূর্ণ একটি কল করছি, হঠাৎ কলটি ড্রপ করলো। বিদেশে কল করছি, তা ড্রপ করলো। আমাদের রোমিং টেলিফোন আছে। দেশের বাইরে যাই। সেখানে যদি একটি কল ড্রপ করে, তখন আবারও কল করতে হয়!’
 
এদিকে সংসদে মন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশের পরদিনই গতকাল বিটিআরসি দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে কল ড্রপের কারণ এবং এর বিপরীতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা জানতে চেয়ে চিঠি  দিয়েছে। আগামী ৫ দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলেছে। এছাড়া কল ড্রপ নিয়ে গত এক বছরের খতিয়ানও প্রকাশ করে বিটিআরসি।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১